আমজাদ আলী শেখ,পূর্ব বর্ধমান : শ্বশুর বাড়িতে অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। শুক্রবার সকালে শ্বশুরবাড়িতে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে গলসি পুলিশ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে । ঘটনার পর গ্রামের উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাংচুর চালায় ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গত সাত আট মাস আগে গোলসির কুরমুন গ্রামের বাসিন্দা প্রীতম নন্দী বয়স ২১ প্রেম করে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে গোলসির আসকরণ গ্রামের ১৯ বছরের সুলতানা পারভীনকে। এরপর বেশ কিছুদিন ধরে বাড়িছাড়া ছিল দুজনেই। কিন্তু কয়েক মাস আগে থেকে কুরমুন গ্রামে স্বামীর বাড়িতে থাকতে শুরু করে সুলতানা। সুলতানা পশ্চিম বর্ধমানের একটি বেসরকারি কলেজের আইনের ছাত্রী ছিলেন। যদিও প্রীতম নন্দী তেমন কোন কাজ করতেন না।
এরপর কিছুদিন ধরে সুলতানা পারভীন ও প্রীতমের মধ্যে ঝামেলা হতে থাকে। তার কিছুদিন পর সুলতানা ফোন করে তার মা মেহেরুন্নেসা বেগমকে সমস্ত কিছু জানায় । সব কথা শোনার পরে বৃহস্পতিবার সুলতানা পারভীনকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে আনতে যান তার মা বাবা। পরিবার সূত্রে খবর এরপরই সুলতানা পারভীন তাদের গাড়িতে উঠলে ঝামেলা শুরু করে দেয় প্রীতমের পরিবারের লোকজন। প্রীতমের পরিবারের লোকজন সুলতানার মাকে মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আসে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর বৃহস্পতিবার এই ঘটনার পর শুক্রবার সকালের তার স্বামীর বাড়ি থেকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় সুলতানার মৃতদেহ উদ্ধার করে গলসি থানার পুলিশ। গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় প্রীতমসহ তার পরিবারের লোকদের আটক করে তদন্ত শুরু করে গলসি থানার পুলিশ।
