স্পোর্টস ডেস্ক : গত কয়েক ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের ভরাডুবি হলেও এবারের ইস্টবেঙ্গল দল অনেক গোছানো।আগে যেমন অনুশীলন শুরু করে ছন্দে আছে তেমনই মোহনবাগানের ফুটবলাররা অনেক দেরিতে আসায় প্রস্তুতির সুযোগ পায়নি তেমন। তবে ডার্বি জিতে ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনালই পাখির চোখ টিম লাল হলুদের। ইস্টবেঙ্গল শিবিরে এ বার নানা পরিবর্তন এসেছে। একাধিক নতুন বিদেশি প্লেয়ার সই করিয়ছে তারা। গ্রুপ লিগে তাঁদের ঝলকও দেখা গিয়েছে। এই নতুন বিদেশিদের একজন মহম্মদ রাশিদ। প্যালেস্তাইনের এই ফুটবলার গ্রুপে সীমিত সুযোগে নজর কেড়েছেন। কিন্তু বাবার মৃত্যুর কারণে রাশিদকে বড় ম্যাচে পাওয়া যাবে না। ইস্টবেঙ্গলের মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তী বলেন, ‘রাশিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা রয়েছে আমাদের। ও নেই ঠিকই। ডার্বি জিতে ওকে উৎসর্গ করতে চাই। রাশিদের জন্য এই ডার্বিটা জিততে চাই।
বড় ম্যাচ সবসময় আবেগের। সবসময় ৫০-৫০। আমরা গ্রুপ পর্বে ভালো খেলেছি। আশা করছি ডার্বিতেও ভালো ফল হবে। ডার্বি পুরোপুরি নির্ভর করে সেই দিনের উপরে। ব্যক্তিগত টার্গেট তো থাকেই। সমর্থকদের কথা ভেবে জিততে চাই। প্রত্যেকটা ডার্বির আলাদা গুরুত্ব আছে।’ এদিকে ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো বললেন, রশিদের বিষয়টা বেশ বেদনাদায়ক।কী করা যাবে যা আছে তাই নিয়ে খেলতে হবে। তবে আমার এই দল মোহনবাগানকে হারানোর ক্ষমতা রাখে।মোহনবাগান অবশ্যই বড়ো দল তবে ওদের নিয়ে না ভেবে নিজেদের বিষয়তেই ফোকাস আমরা করতে চাই। ‘সমর্থকদের উদ্দেশ্য তার বার্তা,অনেকদিন ধরে খারাপ সময়ে গেছে। তবে আমরা এগোচ্ছি। আপনারা খারাপ সময়ে পাশে ছিলেন ধন্যবাদ। এভাবেই দলের জন্য গলা ফাটান।’
