স্পোর্টস রিপোর্টার : কিশোরভারতীতে নর্থ ইস্টকে ৭-২ গোলে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। ফলে শিল্ড ফাইনালে হতে চলেছে ডার্বি।যদিও এদিন ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে যায় টিম লাল হলুদ ম্যাচের ২ মিনিটে গোল নর্থ ইস্টের জ়িভুলিচের খারাপ টাচ থেকে বল পান বিপক্ষের আলাদিন আজ়ারি। তিনি নিজের দখলে বল নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার লাচেনপাকে কাটিয়ে জালে বল জড়িয়ে দেন।
যদিও ১১ মিনিট গোল শোধ ইস্টবেঙ্গলের বক্সের ডান দিক থেকে বাড়ানো ইকোনোমিডিসের সেন্টার থেকে গোল করে সমতা ফেরালেন ডেভিড। ২২ মিনিটে ডেভিড-বিষ্ণুর যুগলবন্দী মাঝ মাঠ থেকে দারুণ গতিতে বল নিয়ে ওঠেন পিভি বিষ্ণু। তিনি ওঠার সময় ডেভিডের সঙ্গে ওয়ান টু খেলেন। শেষে বক্সের বাইরে ডেভিড বিষ্ণুকে ক্রস বাড়ালেও তিনি জায়গা মতো পৌঁছতে পারেননি। ফলে সুযোগ তৈরি হলেও তা বিপদ বাড়ায়নি। ২৩ মিনিটে ফের গোল লাল হলুদের। বক্সের বাঁদিক থেকে দানি রামিরেজ়ের সেন্টারে পা ছুঁইয়ে গোল করলেন রোহিত কুমার। এক গোলে পিছিয়ে থেকে ২-১ গোলে এগিয়ে গেল লাল হলুদ। ৪৩ মিনিট তৃতীয় গোল ইস্টবেঙ্গলের সময় নিয়ে ধৈর্য ধরে গোল করলেন ক্রিস ইকোনোমিডিস। মাঝমাঠে বিষ্ণুর থেকে বল পেয়ে ইকোনোমিডিস ওঠেন। বক্সের সামনে তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন বিপক্ষের ডিফেন্ডার দীনেশ সিং। কিন্তু তাঁকে কাটিয়ে ইকোনোমিডিস গোলকিপারের সামনে পড়েন এবং গোলকিপারকে সহজেই কাটিয়ে জালে বল জড়ান তিনি। প্রথমার্ধে ৩-১ ব্যবধানে শেষ হয়।
সেকেন্ড হাফে ৪৬ মিনিটে চতুর্থ গোল ইস্টবেঙ্গলের। নিজেদের হাফ লাইন থেকে লং পাসে বল পান ইস্টবেঙ্গলের পিভি বিষ্ণু। তিনি বাঁদিকের উইং থেকে সোজা ঢুকে যান বিপক্ষের বক্সে এবং সেখান থেকে ক্রস বাড়ান ডেভিডকে। তিনি পা ছুঁইয়ে গোল করেন। ৫৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক ডেভিডের। বক্সের ডানদিক থেকে বল পান ডেভিড। তিনি শুধু বলে টাচ করেন। ডিফেন্ডার দীনেশ সিং মার্ক করতে পারেননি ডেভিকে। ডেভিড সহজেই চিপ করে বল ঢুকিয়ে দেন জালে। এবং নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করলেন। ৬৫ মিনিটে ডেভিডকে তুলে নেন হাবাস। ৮৩ মিনিটে আলাদিন শেষবেলায় গোল পেল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসির হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর অতিরিক্ত সময়ে ৯১ মিনিটে সপ্তম গোলটি করেন লোবা।