ওঙ্কার ডেস্কঃ ভোট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য প্রশাসনকে বার বার লন্ডভন্ড করে দিচ্ছে কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে চিঠি লিখেছিলেন জ্ঞানেশ কুমারকে। তারপরও পরিস্থিতি কিছু বদলাচ্ছে না। নির্বাচন ঘোষণার ১২ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের ৫ জন শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। গত ৭২ ঘন্টায় প্রায় ৪৩ জনকে সরিয়েছেন।
বুধবার ১১টি জেলার ডিএম তথা ডিইও, কলকাতা দক্ষিণ ও কলকাতা উত্তরে ডিইওকে সরিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু দেখা যায়, টি বালাসুব্রহ্মণ্যম, যিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের ডিএম এবং ডিইও হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন, তাঁকেই আলিপুরদুয়ারের জেলা শাসক করে দেওয়া হয়। তখনই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে দক্ষিণ দিনাজপুরের ডিএম এবং ডিইও কে হবেন?
সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল গোটা ব্যাপারটাই। সেকারণেই মাঝ রাতে আবার অর্ডার দেয় নির্বাচন কমিশন। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, টি বালাসুব্রহ্মণ্যমই থাকছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের ডিএম। পাশাপাশি, আলিপুরদুয়ারের ডিএম করা হয়েছে ময়ূরী বসুকে। অন্যদিকে, রণধীর কুমারকে কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক করা হয়েছিল। কিন্তু তার সঙ্গে ডিরেক্টর অফ ল্যান্ড রেকর্ডস অ্যান্ড সার্ভে পদে নিযুক্ত করা হল।
ভোটের আগে রাজ্য প্রশাসনে বদল কিছু নতুন ঘটনা নয়। তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনের আগে কমিশন যেভাবে রাজ্য প্রশাসনের খোলনলচে বদল করছে, তা নজিরবিহীন ঘটনা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, কমিশন আসলে বিজেপির কথায় কাজ করছে। রাজ্য প্রশাসনকে লন্ডভন্ড করে উন্নয়নের কাজ আটকাতে চাইছে। তাই বাংলার মানুষ এই জবাব ভোটেই দেবেন।
