ওঙ্কার ডেস্ক: গত বছর দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী এবং তার পরিবার দ্বারা পরিচালিত আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের বিরুদ্ধে একটি চার্জশিট দাখিল করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
বেআইনি অর্থ লেনদেন প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর আওতায় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ৫৪ একর জমি-সহ ১৩৯ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শুক্রবার চার্জশিটটি দাখিল করা হয়েছে। সিদ্দিকী ও তার পরিবারের সদস্যদের দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম কতটা হয়েছে, তার জোরালো প্রমাণ রয়েছে চার্জশিটে। রিপোর্ট অনুসারে, ইডি তদন্তে জানতে পেরেছে, সিদ্দিকী পরিবারের নিয়ন্ত্রনে থাকা সংস্থাগুলো বিশ্ববিদ্যালয় এবং হাসপাতাল কমপ্লেক্সের হোস্টেল ক্যাটারিং ও নির্মাণের জন্য চুক্তি পেয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মূলত অর্থ পাচারের অভিযোগে ইডি তাঁকে গ্রেফতার করে। আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় ‘প্রতারণামূলক এবং বিভ্রান্তিকর দাবি’ করে পড়ুয়া, অভিভাবক এবং এর সঙ্গে যুক্ত অংশীদারদের প্রতারিত করেছে বলেও অভিযোগ সামনে আসে। এর আগে আদালতে ইডি জানিয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং তার নিয়ন্ত্রণকারী ট্রাস্টটি স্বীকৃতির বিষয়ে মিথ্যা দাবি করেছে। এই দাবি করে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের ‘অসৎভাবে প্ররোচিত’ করে অন্তত ৪১৫.১০ কোটি টাকা অবৈধ ভাবে উপার্জন করেছে।
