ওঙ্কার ডেস্ক: পরীক্ষার মাত্র ২৫ দিনের মাথায় wbjee-র ফলাফল প্রকাশ্য এল। কলকাতা থেকে জেলা—রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী পরীক্ষার্থীরা জায়গা করে নিয়েছেন প্রথম দশে। ফলে ফলপ্রকাশের পর থেকেই কৃতীদের নাম জানতে উৎসাহ তুঙ্গে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে।
বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল। এ বছরের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সল্টলেকের শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নালন্দা অ্যাকাডেমির ছাত্র। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বিষ্ণুপুরের সৌঋদ্ধ মণ্ডল এবং তৃতীয় হয়েছেন রানিগঞ্জের উমাং ভাট। প্রথম দশে স্থান পাওয়া পরীক্ষার্থীদের তালিকায় কলকাতা, হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান ও অন্যান্য জেলার ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। মেধার লড়াইয়ে শহর ও জেলার ব্যবধান যে ক্রমশ কমছে, সেই ছবিও স্পষ্ট হয়েছে এবারের ফলাফলে।
প্রথম দশে কারা কারা রয়েছেন?
প্রথম: শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (সল্টলেক) – নালন্দা অ্যাকাডেমি
দ্বিতীয়: সৌঋদ্ধ মণ্ডল (বিষ্ণুপুর) – বিবেকানন্দ মিশন স্কুল, জোকা
তৃতীয়: উমাং ভাট (রানিগঞ্জ) – পূর্ব ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
চতুর্থ: রাহুল কোনার (নিউটাউন) – দিল্লি পাবলিক স্কুল
পঞ্চম: সর্বান ভট্টাচার্য (বীজপুর) – গার্ডেন হাই স্কুল
ষষ্ঠ: আরহা ভট্টাচার্য (চন্দ্রকোণা) – চন্দ্রকোণা জিরাট হাইস্কুল
সপ্তম: সৃজন শুর (শিবপুর) – সাউথ পয়েন্ট হাইস্কুল
অষ্টম: মণীশ সেনাপতি (কোতয়ালি, পশ্চিম মেদিনীপুর) – মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুল
নবম: সব্যসাচী লস্কর (সোনারপুর) – বিডিএম ইন্টারন্যাশনাল
দশম: দেবজিৎ পাল (বালিগঞ্জ) – সাউথ পয়েন্ট হাইস্কুল
উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, ফার্মাসি এবং আর্কিটেকচার কলেজে স্নাতক স্তরে ভর্তির অন্যতম প্রধান প্রবেশিকা পরীক্ষা হল WBJEE। চলতি বছর ২৪ মে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার ৮৫৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। ২৬৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, যার মধ্যে ২৬৪টি ছিল পশ্চিমবঙ্গে। এছাড়া ত্রিপুরায় ২টি এবং অসমে ১টি পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল। উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, ফার্মাসি এবং আর্কিটেকচার কলেজে স্নাতক স্তরে ভর্তির অন্যতম প্রধান প্রবেশিকা পরীক্ষা হল WBJEE। চলতি বছর ২৪ মে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার ৮৫৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। ২৬৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, যার মধ্যে ২৬৪টি ছিল পশ্চিমবঙ্গে। এছাড়া ত্রিপুরায় ২টি এবং অসমে ১টি পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল।