ওঙ্কার ডেস্ক: পয়লা দিনে পরনে শাড়ি ও এক সিঁথিতে সিঁদুরের সাজে চমকে দিয়েছিলেন সকল দর্শকদের। আর দ্বিতীয় দিনেও দেশের সংস্কৃতিকে সঙ্গী করে কান কার্পেটের সমস্ত লাইমলাইট কেড়ে নিলেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। পোশাকে লেখা গীতার শ্লোক- ‘ফলের আশা না করে কর্ম করে যাও…।’ বিশ্বসুন্দরী কাছে যে কর্মই পরম ধর্ম, পোশাকে সংস্কৃতে গীতার বাণী লিখে সেই বার্তাই দিলেন অভিনেত্রী।
ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের ফ্রেঞ্চ রিভেরাঁর পয়লা দিনের রাজকীয় লুক ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলে দিয়েছে সমাজমাধ্যমে। বলিমহল তো বটেই এমনকী পশ্চিমী বিনোদুনিয়ার সকলেই বিশ্বসুন্দরীর লুকে মন্ত্রমুগ্ধ। বচ্চনদের বউমার সিঁথিতে সিঁদুর দেখে নিশ্চিন্ত অনুরাগীরা। বিচ্ছেদ জল্পনার মাঝে অভিনেত্রীর এমন মাস্টারস্ট্রোক নিয়ে যখন নেচপাড়ায় চর্চা তুঙ্গে, তখন কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের দ্বিতীয় দিনেও সমুজ্জ্বল ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। পোশাকে গীতার শ্লোক নিয়ে বিশ্বমঞ্চে আবারও শোরগোল ফেলে দিলেন নায়িকা।
গৌরব গুপ্তার ডিজাইন করা খাঁটি বেনারসি ম্যাটেরিয়ালের চাদরে লেখা গীতার শ্লোক- ‘কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন, মা কর্মফলহেতুর্ভূর্মা তে সঙ্গোহস্ত্বকর্মণি।’ যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “কর্মের উপরই তোমার অধিকার, ফলে নয়। কর্মফলকে নিজের উদ্দেশ্য করো না।” চলতি কথায় যা বলে, ফলের আশা না করে কর্ম করে যাও।
ফ্রেঞ্চ রিভেরাঁয় দ্বিতীয় দিনের জন্য ঐশ্বর্য বেছে নিয়েছিলেন গৌরব গুপ্তার কালেকশনের কালো গাউন। তার সঙ্গে ধূসর রঙের বেনারসি কাপড়ের চাদর। আর তাতেই লেখা রয়েছে গীতার শ্লোক। এদিন অভিনেত্রীকে হাত ধরে রেড কার্পেট পর্যন্ত এগিয়ে দিতে দেখা গিয়েছে মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনকে। সেই ভিডিওও কান কার্পেট থেকে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
বিশ্বমঞ্চে স্বামীর মঙ্গলকামনায় ভারতীয় নারীদের সিঁদুর পরার ঐতিহ্যকে তুলে ধরে ডিভোর্সের জল্পনায় জল ঢেলেছেন ঐশ্বর্য। অন্যদিকে, দেশে অপারেশন সিঁদুর আবহে কান-এর কার্পেটেও ট্রেন্ডিং ট্র্যাডিশনাল ভারতীয়বধূর সিঁদুরে লুক। বৃহস্পতিবারও পোশাকে গীতার শ্লোক লিখে বাজিমাত করলেন অভিনেত্রী।
