ওঙ্কার ডেস্ক: সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চায় বলিউডের তিন জনপ্রিয় সেলেব্রিটির ‘রেস্তরাঁ’। তালিকায় রয়েছে ‘বাস্তিয়ান’, ‘বদমাশ’ ও ‘তরী’। শিল্পা শেট্টি, মৌনী রায় ও গৌরী খান এই তিন সেলেবের রেস্তরাঁ যেমন পরিচিত অন্যদিকে তাঁদের রেস্টুরেন্টের পরিবেশ ও খাবারও জনপ্রিয়। তাঁদের রেস্টুরেন্টের জনপ্রিয়তা থাকলেও সম্প্রতি সেখানকার খাবারের দাম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে ব্যাপকভাবে।
মৌনী রায়ের রেস্তরাঁর গুলাব জামুন ও চিংড়ি মাছের পদের দাম শুনলে আমজনতার চোখ ছানাবড়া হবার জোগাড়। মুম্বাইয়ের অন্যতম জনপ্রিয় রেস্তরাঁ ‘তরী’তে সামার ভেজিটেবিল সুই দাম শুরু ৯৫০ টাকা থেকে। এক প্লেটে ভেজ গিয়োজারের দাম ১৫০০ টাকা। স্যালাড আরও বহুমূল্য! ৫০০ টাকা। অন্যদিকে, ভেড়ার মাংসের বিবিধ পদের দাম ৩৮০০ টাকা থেকে ৪৭০০ টাকার মধ্যে। পাশাপাশি মৌনীর রেস্তরাঁয় খাবারের দাম শুরু মোটামুটি ৩০০ টাকা থেকে। ভারতীয় খাবারগুলির নানা নিরামিষ পদের দাম শুরু হচ্ছে মোটামুটি ২৯৫ টাকা থেকে। চিংড়ির পদ শুরু ৭৯৫ টাকা থেকে। তন্দুরি রুটির দাম ১০৫ টাকা, নান ও কুলচার দাম যথাক্রমে ১১৫ টাকা ও ১৪৫ টাকা। এদিকে ‘বাস্তিয়ানে’ এক কাপ জেসমিন চা-এর দাম ৯২০ টাকা। ইংলিশ ব্রেকফাস্ট চা-এর দাম ৩৬০ টাকা। এক বিশেষ স্পার্কলিং ওয়াইন পাওয়া যায় এই রেস্তরাঁয়, যার দাম ১,৫৯,৫০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়। জানা গিয়েছে, প্রতিদিন ১৪০০ অতিথি আসেন বাস্তিয়ানে। আগে থেকে বুক করেও অনেক সময় জায়গা পাওয়া যায় না।
খাবারের এহেন দাম শুনেই নেটিজেনরা তুলেছেন নানা প্রশ্ন। তাঁদের প্রশ্ন, ‘কেন এত দাম খাবারের?’ খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাংশ।কি এমন আছে খাবারে তা নিয়ে বর্তমানে সমাজ মাধ্যমে আলোচনা তুঙ্গে।
