ওঙ্কার ডেস্ক: ইতিমধ্যেই জন্মস্থানে এসে পৌঁছেছে জুবিন গর্গের মৃতদেহ। শেষযাত্রায় জ়ুবিন গার্গ। চন্দনকাঠ ফুল দিয়ে তৈরি হল অন্তিম শয্যা।
গায়কের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সমস্ত ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। স্বামীর শেষযাত্রা পর্যন্ত একইভাবে পাশে ছিলেন তার স্ত্রী গরিমা। উপচে পড়ছিল সাধারণ মানুষ থেকে ভক্তদের ভিড়। এদিন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় জ়ুবিনের মুখে আগুন দিলেন তার ছোট বোন পামী বড়ঠাকুর। সঙ্গে ছিলেন জ়ুবিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অরুণ এবং কবি-গীতিকার রাহুল।
রবিবারই অসমে পৌঁছেছে জ়ুবিন গার্গের নিথর দেহ। প্রিয় শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পথে নামেন তাঁর হাজারো ভক্তের দল। সোমবারও প্রায় একই ছবি দেখা গেল সরুসজাই স্টেডিয়ামে। অগুনতি মানুষের মাঝে এ দিন নিয়ে আসা হয় জ়ুবিনের চার পোষ্য সারমেয়কেও।
প্রসঙ্গত, গায়কের মরদেহের নতুন করে ময়নাতদন্ত করতে হবে বলে সোমবার নির্দেশ দিয়েছে অসম সরকার। প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছিল, জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে গায়কের। তার পরেও থেকে গিয়েছিল বেশ কিছু ধোঁয়াশা। তাই মঙ্গলবার ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে অসম সরকার। মাত্র ৫২ বছর বয়সে গায়ের করে এই মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সংগীতমহল।
