স্পোর্টস রিপোর্টার : ‘মেয়েরা এখন ফুটবলে বিশ্ব পর্যায়ে নিজেদের প্রমাণ করেছে। একদিন এই স্কুলের মেয়েরাও দেশ এবং বিশ্বের ময়দানে নিজেদের মেলে ধরবে।‘ বক্তার নাম তরুণ বসু। ভারতীয় ফুটবলের সোনালি সময়ের প্রখ্যাত গোলকিপার প্রশংসা করে গেলেন ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবের উদ্যোগকে। তিনি ছাড়াও ‘সগড়ভাঙা সিএসজেসি ফুটবল স্কুল’-এর বাচ্চা মেয়েদের এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন প্রখ্যাত ফুটবলাররা। ছিলেন ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়, কম্পটন দত্ত, মিহির বসু, বিকাশ পাঁজি, মেহতাব হোসেন, শান্তি মল্লিকরা। ছিলেন সিএসজেসির প্রেসিডেন্ট অর্চিমান ভাদুড়ি। উৎসাহ দিয়ে গেলেন ক্রীড়া প্রশাসক চন্দন রায়চৌধুরীও।
৩০ জন মেয়ে ফুটবলারদের হাতে কসকোর বল তুলে দেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। দেওয়া হয় কিট ব্যাগও। প্রাক্তনরা একই সুরে বলেন, ‘দেশ বা বিদেশে কোনও ক্রীড়া সাংবাদিকদের ক্লাব এই ভাবে ছোট মেয়েদের নিয়ে ফুটবল স্কুল চালায়, এমন নজির আর আছে কি না, আমাদের জানা নেই!’ এ দিন প্রকাশিত হয় তন্ময় চক্রবর্তীর লেখা বই ‘বিশ্বকাপ ফুটবল।’ বিশ্বকাপের নানা তথ্য ও বিরল ছবিতে সমৃদ্ধ এই বই প্রকাশ করেছে ‘দাঁড়াবার জায়গা।’

অনুষ্ঠানে বিজয়া সম্মলনীর পাশাপাশি বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংবর্ধনা জানানো হয় লেখকের উদ্যোগে। সব মিলিয়ে, পুজোর পরে ও দীপাবলির মাঝে সুন্দর একটি সন্ধে ফুটবলার থেকে ক্রীড়া সাংবাদিকদের জন্য।