স্পোর্টস ডেস্ক : ফের বোলারদের ব্যর্থতা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে হেরে গেল ভারতীয় দল। রাঁচিতে ছয় উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল ক্যারিবিয়ানরা। ম্যাচের নায়ক ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শাই হোপ। বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে এই ওপেনার ৪৫ বলে ১০২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ক্যারিবিয়ান অধিনায়কের ইনিংসে ছিল ছয়টি বাউন্ডারি ও নয়টি ওভার-বাউন্ডারি। শেরফেন রাদারফোর্ডও অসাধারণ ব্যাটিং করেন। তিনি ৩৭ বলে ৮৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল সাতটি করে বাউন্ডারি, ওভার-বাউন্ডারি। রোমারিও শেফার্ডও হোপকে যোগ্য সঙ্গত করেন। তিনি ১৩ বল খেলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেফার্ড তিনটি করে বাউন্ডারি, ওভার-বাউন্ডারি মারেন।বোলারদের খেলোয়াড়জীবন নষ্ট করতে যড়যন্ত্র চলছে।
পিচ নিয়ে ক্ষুব্ধ গম্ভীর বলেছেন, ‘‘আপনারা কি ব্যাট-বলের ভাল লড়াই দেখতে চান না ? আপনারা যা দেখতে চান, আমরা সেটাই দেখতে চাই। আপনারা লড়াই দেখতে চাইলে, আমরাও লড়াই দেখতে চাই। মনে রাখতে হবে ওরা আমাদেরই বোলার। অন্য কোনও দলের নয়। এ ভাবে বোলারদের ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। ওদের ক্রিকেটজীবন শেষ করার চেষ্টা হচ্ছে। ওরাও কঠোর পরিশ্রম করে এই সাজঘরে ঢোকার ছাড়পত্র পেয়েছে। ব্যাট-বলে সমানে সমানে লড়াই হলে অনেক ভাল মানের ক্রিকেট আমরা দেখতে পাব।‘আমরা এই হারটাকে হালকা ভাবে নিচ্ছি না। উন্নতি করতে চাইলে কোনও কিছু চাপা দিয়ে রাখলে হবে না। আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল। ধারাবাহিক ভাবে উন্নতি করতে চাই। শিশির পড়লে পাটা পিচে বল করা খুব কঠিন। তা-ও আমরা শুরুতে উইকেট পেয়েছিলাম। তার পর ওদের থামানোর একটা উপায় বের করতে হত।‘ময়ঙ্ক এক জন পেসার। ওকে এ ভাবেই বল করতে হবে। ময়ঙ্ক তো মন্থর গতির বোলার নয়। কেউ যদি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে, তা হলে সে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতেই বল করবে। যদি কেউ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে, সে তাই করবে। এক জন পেসারের দায়িত্বই দ্রুত গতিতে বল করা। ময়ঙ্ক সেটাই করেছে এবং সফল হয়েছে।’