ওঙ্কার ডেস্ক: পরমাণু ক্ষমতাধর দেশ পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে সংঘাতের সময় অহরহ দেশটির বিভিন্ন নেতা ও মন্ত্রী পারমাণবিক হামলার হুমকি দেন। পরমাণু শক্তিধর দেশগুলির তালিকায় ধীরে ধীরে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করছে ইসলামাবাদ। তবে সম্প্রতি মার্কিন সংস্থা ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভের প্রকাশ করা তথ্য বলছে পাকিস্তানের পারমাণবিক বিস্তারে উদ্বিগ্ন হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
দুই দশকেরও বেশি সময় আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সঙ্গে এক বৈঠক করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই একান্ত আলোচনায় পাকিস্তানের পারমাণবিক বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন দুই রাষ্ট্রনেতা। ২০০১ সালের ১৬ জুন স্লোভেনিয়ায় তাঁদের প্রথম ব্যক্তিগত বৈঠকে পুতিন ইসলামাবাদের পারমাণবিক সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সম্প্রতি ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভ পুতিন ও বুশের কথোপকথনের একটি নথি প্রকাশ করেছে। যেখানে পুতিন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে ‘পারমাণবিক অস্ত্রধারী জান্তা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। স্লোভেনিয়ার সেই বৈঠকে পুতিন প্রশ্ন তোলেন, কেন পাকিস্তান আন্তর্জাতিক চাপের মুখোমুখি হয়নি। তিনি বলেন, ‘এটি কেবল পারমাণবিক অস্ত্রধারী একটি জান্তা। এটি কোনও গণতন্ত্র নয়, তবুও পশ্চিমারা এর সমালোচনা করে না। এটি নিয়ে কথা বলা উচিত।’
পাকিস্তানের পারমাণবিক বিস্তার নিয়ে বিভিন্ন সময়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। সেই উদ্বেগের প্রতিফলন দেখা যায় রুশ প্রেসিডেন্টের গলায়। যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে যৌথ আন্তর্জাতিক উদ্বেগের প্রতিফলন। ২০০৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ওভাল অফিসের বৈঠকে পুতিন বুশকে বলেছিলেন, ইরানে সেন্ট্রিফিউজে পাওয়া ইউরেনিয়ামের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ রয়েছে। সেই সময় পুতিনের সঙ্গে বুশও বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দেন।
