ওঙ্কার ডেস্ক: উত্তেজনা বৃদ্ধির ওষুধ খাইয়ে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করা হল। বারুইপুরের বাসিন্দা ওই নির্যাতিতা নবম শ্রেণীর পড়ুয়া। পুজোয় ঘুরতে বেরিয়ে ‘বন্ধু’ এবং তার সঙ্গীদের লালসার শিকার হয় ওই নাবালিকা। নির্যাতিতার পরিবারের তরফে বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর ঘটনার তদন্তে নেমে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার সঙ্গে অভিযুক্তের সমাজ মাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল। সেখান থেকে ফোন নম্বর আদানপ্রদান হয়। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রথম বার একসঙ্গে পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেরোনোর কথা ছিল তাদের। সেই মতো গত ৩০ সেপ্টেম্বর মহাষ্টমীর রাতে পুজোয় ঘুরতে বেরিয়ে ‘প্রেমিক’ এবং তার বন্ধুদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হল সে। অভিযোগ, ঠাকুর দেখার ফাঁকে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে উত্তেজনাবৃদ্ধির ওষুধ খাইয়ে দেওয়া হয় তাকে। এর পর তিন জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। শুধু তাই নয়, সেই মুহূর্তের ভিডিও করে তা দিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়।
এ দিকে গত ১ অক্টোবর সকাল থেকে শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই ছাত্রী। ওই দিন বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার পর ২ অক্টোবর বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার পর দিন ৩ অক্টোবর ‘প্রেমিক’কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে জেরা করে বাকি দুই অভিযুক্তের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। তবে তৃতীয় অভিযুক্ত এখনও অধরা। অভিযুক্তরাও নাবালক বলে পুলিশ জানিয়েছে।
