ওঙ্কার ডেস্কঃ নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় স্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সিবিআইয়ের বক্তব্য, সিস্টেমের ভিতরেই সমস্যা অর্থাৎ সরষের মধ্যেই ভূত। নিট কেলেংকারি নিয়ে ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন এনটিএ-র সঙ্গে যুক্ত অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক পিভি কুলকর্নি। কিন্তু এনটিএ প্রধানের দাবি, এনটিএ-র ভিতর থেকে প্রশ্নফাঁস হয়নি।
একদিকে যখন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন ফাসের দায় স্বীকার করছেন। জনসমক্ষে তাঁর মুখে শিক্ষা মাফিয়া শব্দটা শোনা যাচ্ছে, ঠিক তখনই এনটিএ প্রধানের উল্টো সুর নিয়ে একাহদিক প্রশ্ন উঠছে। কেন তিনি বলছেন এনটিএ-র ভিতর থেকে প্রশ্নফাঁস হয়নি! সব মিলিয়ে এই নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের রহস্য আরও ঘনীভূত হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল। বার বার প্রশ্ন উঠছে, অপরাধীকে বাঁচানোর কোনোও কৌশল না তো!
উল্লেখ্য, নতুন করে আগমী ৩ জুন ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছে এনটিএ। কিন্তু এনটিএ-র কথা অনুযায়ী যদি প্রশ্ন ফাঁস না হয়, তালে আবার পরীক্ষা কেন হচ্ছে? পাশাপাশি এ বিশয়েও প্রশ্ন উঠছে যে, বছর বছর কীভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে পারে? একাধিকবার পরীক্ষা তো কোনও সমাধান সূত্র নয়।
নিটের মতো কঠিন পরীক্ষা বারবার দেওয়া একজন পরীক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক ও মানসিক হেনস্তার শামিল। সরষের মধ্যে ভুত থাকুক, কি সরষে খেতের বাইরে, সমস্যায় জর্জরিত হচ্ছে তো পরীক্ষার্থীরাই। প্রথম পরীক্ষাটি বাতিল হওয়ায় ইতিমধ্যে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি, এনটিএ-র বিরুদ্ধে যেমন আওয়াজ তুলছে, তেমনই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছে।