ওঙ্কার ডেস্ক: ভোট চুরির অভিযোগে তাঁকে ঘিরে সরগরম দেশের রাজনীতি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিদ্রোহের ঝাঁজ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহে দু’দিনের ছত্তীসগঢ় সফর স্থগিত করলেন তিনি। বিদ্রোহের কারণে তাঁর এই সিদ্ধান্ত কি না তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন কমিশনের অন্য শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে ছত্তীসগঢ়ে যাওয়ার কথা ছিল জ্ঞানেশকুমারের। সে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সফর ‘অনিবার্য কারণে’ স্থগিত রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার দিল্লিতে পথে নেমেছিল বিরোধী দলগুলির সাংসদরা। নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ তা আটকে দেয়। এরপর আচমকাই আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢুকে ধর্নায় বসেন রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। বিরোধী দলগুলির প্রায় ৩০০ সাংসদ এই অভিযানে সামিল হন। জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করে এসআইআর এবং ভোটে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের। কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। দুপুর ১২টা ২০ মিনিট নাগাদ শুরু হয় আকাশবাণী ভবনে রাহুলদের অবস্থান। প্রায় আট ঘণ্টা ধরে চলে বিক্ষোভ। রাহুল, প্রিয়াঙ্কা-সহ একাধিক ইন্ডিয়া জোটের সাংসদ একটি গাছের নীচে বসে থাকেন। সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিট নাগাদ পুলিশ তাঁদেরকে সরিয়ে দেয়। পরে বাসে করে উত্তর দিল্লির কিংসওয়ে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। রাহুল গান্ধীকে রাত ১০টা ১০ মিনিট নাগাদ ছেড়ে দেওয়া হয়। তার আগে প্রিয়াঙ্কাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।