ওঙ্কার ডেস্ক: দেশের দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সাঁধু এবং বিবেক জোশীকে অন্ধকারে রেখে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এমনটাই অভিযোগ সামনে এসেছে। যা নিয়ে সরগরম দেশের রাজনীতি। এই আবহে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে তদন্ত চাইলেন মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বুধবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লিখেছেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের নির্দেশ দিতে হবে। কোন এক রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে লক্ষ লক্ষ ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিষয়টি আমাদের গণতন্ত্রের ভিত্তিমূলকেই আঘাত করে। এর জন্য যারা দায়ী, তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পর, ‘ইন্ডিয়া’ জোটভুক্ত সমস্ত বিরোধী দল ভারতের প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কাছে চিঠি লিখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু সেই অভিযোগগুলির যথাযথ পর্যালোচনা বা বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়নি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে এমন গুরুতর প্রশ্ন যখন বারবার উত্থাপিত হওয়া সত্ত্বেও উপেক্ষিত থেকে যায়, তখন তা অনিবার্যভাবেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে চোখ বন্ধ করে থাকতে পারে না। চূড়ান্ত দায়ভার তাদেরই। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ কি কোনও পদক্ষেপ নেবে?’
সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া মৈত্র লিখেছেন, ‘বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন আমরা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে অন্তত চারবার দেখা করেছিলাম। সেখানে আমরা তুলে ধরেছিলাম যে, সীমা খান্নার তৈরি কেন্দ্রীয় সফটওয়্যারটি কীভাবে মাঠপর্যায়ে ‘ইআরও-নেট’এর প্রবেশাধিকার সীমিত করে এবং ইচ্ছামতো তথ্য পরিবর্তন করে। এখন দেখা যাচ্ছে, দুজন নির্বাচন কমিশনারও ঠিক সেই কথাই বলেছেন যা আমরা বলেছিলাম!’