ওঙ্কার ডেস্ক: নিট ইউজি প্রশ্নফাঁসের পর বহু পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছিল। যার পর থেকে গোটা দেশ আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল। পথে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা বিক্ষোভের ফলে অবশেষে চাপের মুখে পড়ে পদত্যাগ করেছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন ইস্যুতে পথে নেমেছেন অভিজিৎ দীপকেরা। এসআইআর প্রক্রিয়া চালিয়ে বহু মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমনটাই অভিযোগ সিজেপির। আর সে কারণে জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে গান্ধী জয়ন্তী থেকে পথে নেমেছে আরশোলারা। শুধু ককরোচরা নন। পথে নেমেছেন বাম সহ বিরোধী দলগুলিও।
শুক্রবার দিল্লির রাজপথে আম আদমি পার্টি, কংগ্রেস এবং বামেরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। সেই বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। উর্দিধারীদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়। দিল্লির পাশাপাশি মুম্বই এবং কলকাতাতেও জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। ওই দিন বিকেলে মুম্বইয়ে ককরোচ জনতা পার্টি র ‘জেল ভরো’ আন্দোলন ছিল।
শুক্রবার আটক করা হয় সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাট, আপ নেত্রী তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মারলেনা, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব, আইসা নেত্রী নেহা বোরাকে। আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহের অভিযোগ, সংসদে যাওয়ার সময় তাঁকে আটক করে পুলিশ। ‘জ্ঞানেশ কুমার গদি ছাড়ো’ স্লোগান তোলে পুলিশ। এসএফআই-ডিওয়াইএফআই কর্মীদের পাশাপাশি আটক করা হয় সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবিকেও। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যখন আন্দোলন দানা বাঁধছে, তখন জল্পনা তৈরি হয়েছে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করবেন কিনা, তা নিয়ে।