ওঙ্কার ডেস্কঃ হাদি মৃত্যুর পর থেকেই জ্বলছে ওপার বাংলা। একের পর এক ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। হাদি মৃত্যুর ক্ষোভ, রোষের শিকার হয়েছে দীপু দাস। নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তাকে। তারপরও পরিস্থিতি বদলায়নি। আবারও অমৃত মন্ডল নামে এক হিন্দুকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। বাংলাদেশের এই টালমাটল পরিস্থিতি নিয়ে এবার ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা।
নিজের দেশের সংখ্যালঘুদের দুর্দশা নিয়ে ফুঁসে উঠলেন ক্ষমতাচ্যুত ও নির্বাসিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলছেন, বাংলাদেশ বরাবরের সম্প্রীতির দেশ। এই অরাজকতা বেশিদিন সহ্য করবে না দেশবাসী। আর ইউনূস সরকার ব্যর্থ সরকার।
শেখ হাসিনার অপসারণ নিয়েই গতবছর বাংলাদেশ উত্তাল হয়েছিল। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে গেছিল। আবার বছর ঘুরতেই হাদি মৃত্যুর পর ওপার বাংলার পরিস্থিতি উত্তাল হয়েছ। হাসিনার বক্তব্য, তাঁর অপসারণ চেয়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা ক্রমশ মৌলবাদীদের আস্ফালন আর সংখ্যালঘুদের ত্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বড়দিনে এক অডিওবার্তায় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলছেন, “বাংলাদেশে আজ অমুসলিমদের অকত্য নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। সম্প্রতির বাংলাদেশে আজ সংখ্যালঘুদের জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশের মানুষ এসব সহ্য করবে না। বড়দিন সব ধর্মের সম্প্রীতির বার্তা বয়ে আনবে। বর্তমানে যারা বেআইনিভাবে দেশের ক্ষমতা দখল করে রেখেছে তাঁরা যেভাবে মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে সেটা বেদনাদায়ক।”
বিদ্বেষের আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ। ধর্ম প্রেমে মজে পিটিয়ে মানুষ মেরে, প্রকাশ্যে গাছে বেধে পুড়িয়ে দিয়ে উল্লাস করছেন মানুষ। এই নৃশংসতার রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে আরও এক হিন্দু যুবককে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিধনের ঘটনাইয় এবার ফুসে উঠলেন হাসিনা। জানালেন, দেশের এই নিকষ আঁধার কেটে যাবে দ্রুত।
