ওঙ্কার ডেস্কঃ আগামী বছর বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনকে বিঘ্নিত করতে লক্ষ লক্ষ টাকা ঢালছেন শেখ হাসিনার সমর্থকেরা। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। সোমবার দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়ায় আমেরিকার বিশেষ দূত সার্জিও গোরের সঙ্গে ফোনে কথা হয় ইউনূসের। সেই ফোনালাপেই এই মন্তব্য করেন মহম্মদ ইউনূস।
সূত্রের খবর, সার্জিও গোরের সঙ্গে ইউনূসের ফোনালাপের মুখ্য বিষয় ছিল আমেরিকা এবং বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শুল্কের প্রসঙ্গ। সেই আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন এবং সম্প্রতি ওসমান হাদির হত্যার প্রসঙ্গও উঠে আসে আলোচনায়।
ওই ফোনালাপে ইউনূস বলেন, “ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শাসনের সমর্থকেরা নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। তাদের পলাতক নেতা হিংসা উস্কে দিচ্ছেন।” যদিও তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকার যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
সরাসরি নাম না নিলেও ‘ক্ষমতাচ্যুত শাসন’ বলে শেখ হাসিনাকেই বোঝাতে চেয়েছেন ইউনূস।
নির্বাচন ঘোষণার পরই বাংলাদেশে হিংসার ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ওসমান হাদি। হাদির পর সোমবার এনসিপি নেতাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন খুলনায়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন নেতাদের মুখে ভারতবিরোধী বক্তৃতাও শোনা গিয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ঢাকার মার্কিন দূতাবাস কর্তৃপক্ষও।
আগামী বছর ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ভোটগ্রহণ। তবে বিগত কিছুদিনের ওপার বাংলার ঘটনাপ্রবাহতে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল মহল। বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরাইভিচও চাইছেন, নির্বাচনের আগে শান্তি ফিরুক বাংলাদেশে।
