ওঙ্কার ডেস্ক: বিশ্ব সংবাদমাধ্যম সূচকে নেমে গেল ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম। ১৫৬ থেকে একধাক্কায় ১৫১ তে নেমে গেল ভারতীয় গণমাধ্যম। ৩ মে বিশ্ব প্রেস ফ্রিডম ডে-র একটি সূচকে শুধু ভারত নয়, সারা দুনিয়ারই মিডিয়া স্বাধীনতার করুণ দশা ফুটে উঠেছে। সাংবাদিকরা কোন পরিস্থিতিতে পেশাগত দায়বদ্ধতা গ্রহণ করেন তা বর্তমানে খুবই করুণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স। সেখানে আরএসএফের অভিমত, ২৫ বছরে ১৮০টি দেশ ও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত অঞ্চলের গড় স্কোর কখনও এত খারাপ হয়নি। ২০২৫-এ ভারতের জায়গা ছিল ১৫১-তে। ২০২৪-এর ১৫৯ নম্বর থেকে বেশ কিছুটা ভালো জায়গায় উঠে আসতে পেরেছিল ভারত। কিন্তু ২০২৬-এর তালিকায় ফের অবনমন হল।
অপরদিকে ভারতের পিছনে থাকা দেশগুলির মধ্যে ভেনেজুয়েলা, সুদান, ইরাক, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইরান, চিন, উত্তর কোরিয়া রয়েছে। আবার ২০২৫-এ ভারতের নিচে থাকা বেশ কয়েকটি দেশ এবছর তালিকায় তার উপরে স্থান করে নিয়েছে। পিছনে থাকা দেশগুলির মধ্যে ভেনেজুয়েলা, সুদান, ইরাক, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইরান, চিন, উত্তর কোরিয়া রয়েছে। আবার ২০২৫-এ ভারতের নিচে থাকা বেশ কয়েকটি দেশ এবছর তালিকায় তার উপরে স্থান করে নিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের বদলের পর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম তরতর করে নিচে নেমেছে। এর কারণ হিসাবে তাঁরা বলেছেন, সংবাদ মাধ্যমের ওপর দিনের পর দিন চাপ বৃদ্ধি হয়েছে। কেবল মাত্র ভারত নয় বাংলাদেশের সূচক ও নেমে গেছে। পিছনে থাকা দেশগুলির মধ্যে ভেনেজুয়েলা, সুদান, ইরাক, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইরান, চিন, উত্তর কোরিয়া রয়েছে। আবার ২০২৫-এ ভারতের নিচে থাকা বেশ কয়েকটি দেশ এবছর তালিকায় তার উপরে স্থান করে নিয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে, ভারতের অবস্থান নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের চেয়েও নিচে। তবে ভারত এখনও মিয়ানমার, আফগানিস্তান এবং চীন থেকে কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে। তালিকার একেবারে শীর্ষে অর্থাৎ প্রথম তিনটি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস এবং এস্তোনিয়া। অন্যদিকে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিরিখে শক্তিশালী দেশ
হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ৬৪তম স্থানে অবস্থান করছে।