ওঙ্কার ডেস্ক: আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার এক মাসের মাথায় শনিবার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বিমানের জ্বালানির সুইচ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে সেটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে কোনও পাইলটের পক্ষে কি ভুল করে জ্বালানির সুইচ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে। তবে বিমান বিশেষজ্ঞদের মতে ভুল করে কোনও পাইলটের পক্ষে জ্বালানির সুইচ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়।
মার্কিন বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ব্রিকহাউস সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, ‘এ ক্ষেত্রে পাইলটেরা জ্বালানি বন্ধ করতে পারেন না। যদি পাইলট এটি করে থাকেন, তাহলে কেন করলেন?’ উল্লেখ্য, গত ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহি বিমানটি ওড়া শুরু করার কিছু ক্ষণের মধ্যে সেটি ভেঙে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনার মুহূর্তে ককপিটে পাইলটদের মধ্যে যে কথোপকথন হয়েছিল তা রিপোর্টে উল্লেখ করেছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। ১৫ পাতার রিপোর্টে বলা হয়েছে এক পাইলট অন্য পাইলটকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘কেন তুমি জ্বালানি বন্ধ করলে?’ অপর জন তার জবাবে বলেন, ‘আমি কিছু বন্ধ করিনি।’ তবে কে কোন কথাটি বলেছেন তা স্পষ্ট হয়নি। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রানওয়ে ছাড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে ইঞ্জিন-১ এবং ইঞ্জিন-২ বন্ধ হয়ে যায়। এক সেকেন্ডের মধ্যে বিমানের দুটি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে দুটি সুইচ এক সেকেন্ডে বন্ধ করা সম্ভব নয়, একটি বন্ধ করে আরেকটি সুইচ বন্ধ করতে আরও বেশি সময় লাগার কথা। সব মিলিয়ে প্রাথমিক রিপোর্টে জ্বালানির সুইচ বন্ধ করার কথা উল্লেখ থাকলেও, এখনও অধরা বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর।
