ওঙ্কার ডেস্ক: গত ১২ জুন গুজরাটের আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার ফলে মৃত্যু হয় ২৬০ জনের। সেই দুর্ঘটনার আগে পাইলটদের মধ্যে কী কথোপকথন হয়েছিল তা প্রকাশ্যে এল। বিমান দুর্ঘটনার তদন্তকারী সংস্থা এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো শনিবার তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে পাইলটদের মধ্যে কী কথোপকথন হয়েছিল।
১৫ পাতার রিপোর্টে বলা হয়েছে এক পাইলট অন্য পাইলটকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘কেন তুমি জ্বালানি বন্ধ করলে?’ অপর জন তার জবাবে বলেন, ‘আমি কিছু বন্ধ করিনি।’ তবে কে কোন কথাটি বলেছেন তা স্পষ্ট হয়নি। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রানওয়ে ছাড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে ইঞ্জিন-১ এবং ইঞ্জিন-২ বন্ধ হয়ে যায়। ওড়া শুরু করে যাত্রীবাহি বিমানটি যখন গতি নেওয়া শুরু করে সেই সময়ে দু’টি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। ইঞ্জিনে জ্বালানি না পৌঁছনোয় কিছুক্ষণের মধ্যে বিমানের গতি কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে নীচের দিকে নামতে থাকে বিমানটি। সেই মুহূর্তে দু’টি জ্বালানির সুইচ অন করে দেন পাইলটরা। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। বিমানটি ভেঙে পড়ে। তদন্তকারীরা জানান, ইঞ্জিন-২ সাময়িক ভাবে চালু হলেও ইঞ্জিন-১ আর চালু করা যায়নি।
উল্লেখ্য, ১২ জুন, আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয় বিমানে থাকা ২৪১ জনের। এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটি গুজরাটের আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই বিপত্তি ঘটে। বিমানটি আহমেদাবাদের মেঘানী নগরের সিভিল হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টার অতুল্যম ফ্ল্যাটে ভেঙে পড়ে। বিমানটি যেখান ভেঙে পড়ে সেখানেও ১৮ জনের মৃত্যু হয়। ২৪২ জন আরোহীর মধ্যে ২৩০ জন ছিলেন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু। বিমানে ছিলেন ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাত জন পর্তুগিজ এবং এক জন কানাডিয়ান নাগরিক।
