ওঙ্কার ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান কেবল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছিল না। এই অভিযান ছিল পাকিস্তান-সহ তিন দেশের বিরুদ্ধে। কোন কোন দেশের মোকাবিলা করতে হয়েছে এই অভিযানে তা জানালেন ডেপুটি চিফ অফ আর্মি স্টাফ রাহুল আর সিং।
‘‘অপারেশন সিঁদুর’ থেকে কিছু শিক্ষা হয়েছে। প্রযুক্তি এবং মানব বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সংগৃহীত প্রচুর তথ্যের উপর ভিত্তি করে লক্ষ্যবস্তু পরিকল্পনা এবং নির্বাচনচ করা হয়েছিল। মোট ২১টি লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা হয়েছিল, যার মধ্যে নয়টি লক্ষ্যবস্তুতে আমরা অভিযান চালানো বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করেছি।’ রাহুল বলেন, আমাদের সামনে সীমানা ছিল একটা। কিন্তু প্রতিপক্ষ ছিল তিন জন। যার মধ্যে সামনের সারিতে ছিল পাকিস্তান। আর তাদের সবরকম সাহায্য করছিল চিন। প্রসঙ্গত পাকিস্তানের ৮১ শতাংশ মিলিটারি হার্ডওয়্যার আসে চিন থেকে। বেজিং এর কাছ থেকে অস্ত্রও কেনে পাকিস্তান। তিনি বলেন, পাকিস্তানের মাধ্যমে নিজেদের অস্ত্রের শক্তিপরীক্ষা করে বেজিং। ইসলামাবাদকে চিন লাইভ ল্যাব হিসাবে ব্যবহার করে। এ ছাড়া পাকিস্তানকে সাহায্য করেছিল তুরস্ক। তাই অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে তিন দেশকে জবাব দিয়েছে নয়াদিল্লি।
গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জেরে মৃত্যু হয় ২৬ জনের। সেই ঘটনায় পাকিস্তানের হাত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পহেলগাঁও কাণ্ডের জবাবে গত ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়েছিল ভারতের সেনা বাহিনী। এই অভিযানে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নয়টি জায়গায় জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছিল নয়াদিল্লি।
