ওঙ্কার ডেস্ক: রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণে ভারতের পণ্যের উপর আরও ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সব মিলিয়ে শুল্কের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৫০ শতাংশ। ভারতের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কঠোর সিদ্ধান্ত যথেষ্ট চাপে ফেলেছে নয়াদিল্লিকে। এই আবহে এ বার চিন সফরে যেতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ৩১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর চিনে অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দেবেন মোদী।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদীর শেষ চিন সফর ছিল ২০১৯ সালে। কিন্তু ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাজানে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তিনি চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর মোদীর এই সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে আরও একটি পদক্ষেপ বলে মত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর শুল্ক নীতি এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের উপর ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে এই সফরটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক পুনর্নির্মাণ কূটনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রসঙ্গত, চলতি জুলাই মাসে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চিন সফরে গিয়েছিলেন। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। তারপর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হয় বলে দুদেশই দাবি করে। তার আগে জুনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বেজিং সফরে গিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, মোদী চিন সফরের আগে জাপানেও যেতে পারেন। ২৯ অগস্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাপানে যেতে পারেন বলে সূত্রের দাবি।
