ওঙ্কার ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের মাঝে আগ বাড়িয়ে নাক গলিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন সরাসরি যুদ্ধে নামবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দু’সপ্তাহ সময় নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেন দু সপ্তাহ সময় নিলেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় নেওয়ার পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে বলে মত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। প্রথমত, ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোঝাপড়ায় আসতে পারে বলে একটা সম্ভাবনা রয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দ্বিতীয়ত, অনেকে মনে করছেন এই সময় নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প রণনীতি নির্ধারন করবেন। কারণ ওয়াশিংটন যুদ্ধে জড়ালে ইরানও তাদের নাগালে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি গুলিতে আক্রমণ করবে, ইতিমধ্যে সেই হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে তেহরান।
তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছে, বেশি দিন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার শক্তি ইজরায়েলের নেই। ইরানের উপর লাগাতার আক্রমণ করে তেহরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চায় তেল আভিভ। ট্রাম্প সময় নিয়েছেন, যদি সেটি ঘটে তাহলে আর যুদ্ধে জড়ানোর প্রয়োজনীয়তা থাকল না।
উল্লেখ্য, হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছিলেন, অদূর ভবিষ্যতে ইরানের সঙ্গে বোঝাপড়ায় আসার একটা সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে সেই আলোচনার পথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হাঁটবেন কি না সেই বিষয়ে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে তেহরান যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে তার বিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে কূটনৈতিক সমাধান চান তা জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
