ওঙ্কার ডেস্কঃ ভেনেজুয়েলার পর এ বার কিউবায় কূটনৈতিক ফাঁস দিল আমেরিকা। রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ বার্তা দিলেন কিউবাকে। আমেরিকার সঙ্গে ‘চুক্তি’ করো, নইলে সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়তে হবে। সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, “কিউবায় আর কোনও তেল বা টাকা যাবে না। দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করা ভাল।”
চলতি মাসের শুরুতে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়। ওই ঘটনার জেরে কার্যত ছিন্ন হয়েছে হাভানা-কারাকাসের জোট! যা কিউবার অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা ছিল। এবং এত দিন পর্যন্ত কিউবার তেলের ঘাটতির প্রায় অর্ধেকই মেটাত ভেনেজুয়েলা। ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্ত তেল ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করতে শুরু করেছে আমেরিকা। ফলে এমনিতেই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জর্জরিত কিউবা।
যদিও চুক্তির শর্ত কী, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প। তবে এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে, পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকার প্রভাব বাড়ানোর অভিযানে এটি বড়সড় কৌশলগত চাপ। ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব ইতিমধ্যেই টের পাওয়া যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতা, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি, সব নিয়েই মানুষের দুর্দশা চরমে।
হাভানা অবশ্য পাল্টা কড়া সুরে জবাব দিয়েছে। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-ক্যানেল বলেন, “কিউবা স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র। কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না। সংঘাত চায় না কিউবা, কিন্তু মাতৃভূমি রক্ষায় শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়তে প্রস্তুত।” বিদেশমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ আমেরিকার আচরণকে ‘অপরাধমূলক’ বলে আক্রমণ করেন এবং জ্বালানি আমদানির অধিকার কিউবার রয়েছে বলে জানান।
