ওঙ্কার ডেস্ক: এক মার্কিন শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করল সে দেশের পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাবালক ছাত্রকে যৌন নির্যাতন করেছেন। বিষয়টি জানতে পেরে তাঁর স্বামী পুলিশকে জানানোর পর ওই মার্কিন শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে ওই অভিযুক্ত মহিলা কারাগারে রয়েছেন।
রিপোর্ট অনুসারে, অভিযুক্ত শিক্ষিকার নাম ম্যাকেঞ্জি নট। ২৫ বছর বয়স তাঁর। সেন্ট জন-এর বাসিন্দা তিনি। ওয়াশিংটনের এক প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। অভিযোগ, ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। বিষয়টি জানতে পারেন তাঁর স্বামী। আপত্তিকর টেক্সট মেসেজ দেখেই তিনি নিশ্চিত হন বিষয়টি সম্পর্কে। এর পর পুলিশকে জানান তিনি। হুইটম্যান কাউন্টি প্রসিকিউটিং অ্যাটর্নির অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, সেন্ট জন-এর বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী ম্যাকেঞ্জি নট এক নাবালকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। পুলিশি জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করেছেন তিনি। ম্যাকেঞ্জি নটকে আগামী ২৮ আগস্ট সাজা ঘোষণার দিন পর্যন্ত হুইটম্যান কাউন্টি কারাগারে আটকে রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
গত মে মাসে ম্যাকেঞ্জি নটের স্বামী অভিযোগ জানানোর পর তদন্ত শুরু হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রীর ফোন পরীক্ষা করেন তাঁর স্বামী। সেই সময় ম্যাকেঞ্জি নট ও ওই কিশোরের মধ্যে বার্তা আদানপ্রদান দেখতে পান। এর পর স্বামী বিষয়টি নিয়ে ওই নাবালককে প্রশ্ন করলে সে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ম্যাকেঞ্জি নটও দুজনের মধ্যে সম্পর্কের বিষয়টি মেনে নেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, ওই কিশোর তদন্তকারীদের জানিয়েছে, স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে তাদের যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। নিজের ট্রাকে করে ম্যাকেঞ্জি নটকে নিয়ে যায় সে। সে ওই শিক্ষিকাকে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল। হুইটম্যান কাউন্টির আদালতের নথি অনুযায়ী, গ্রেফতারের পর জুন মাসে ম্যাকেনজি নটের স্বামী বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। অভিযোগ ওঠার পর সেন্ট জন স্কুল ডিস্ট্রিক্টও ম্যাকেনজি নটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।