ওঙ্কার ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই এর শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এর আগে তেহরানের তরফে পাকিস্তানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। যদিও পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, ইসলামাবাদের প্রতিনিধি দল খামেনেই এর শেষকৃত্যে সামিল হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই। মূলত মার্চ মাসে শেষকৃত্য হওয়ার কথা থাকলেও চলমান সংঘাতের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। আগামী জুলাই মাসে ইরানের একাধিক শহরে কয়েক দিন ধরে খামেনেই এর শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তেহরানের তরফে। ইরানের সরকারি সূত্রের খবর, খামেনেই এর রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য ৪ জুলাই শুরু হবে। ওই দিন খামেনেইর মরদেহ রাখা হবে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন সবাই। এ ছাড়া শোক মিছিলের পরিকল্পনা করা হয়েছে তেহরান ও কোম শহরে। ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালাতেও বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত দাফন অনুষ্ঠানটি হবে ৯ জুলাই মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজা মাজারে। মাশহাদ ছিল খামেনেইর নিজ শহর।
তেহরানের কর্তারা মনে করছেন খামেনেই এর লক্ষ লক্ষ এই অনুষ্ঠানগুলিতে অংশ নেবেন। ২০২৬ সালের ৪ থেকে ৬ মার্চের মধ্যে তেহরান ও মাশহাদে এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের কথা ছিল, কিন্তু যুদ্ধের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে খামেনেইর মৃত্যুর পর ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি নয়াদিল্লিতে ইরানের দূতাবাসে গিয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন। ঐতিহাসিকভাবেই ইরানের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।