ওঙ্কার ডেস্ক: দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে হুমকির পর শনিবার ইরানের উপর হামলা চালায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা। সেই হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিই। আমেরিকার তরফ থেকে জানানো হয়েছে খামেনিই সহ ইরানের ৪৮ জন শীর্ষনেতা নিহত হয়েছেন। খামেনিইর মৃত্যুর পর আরও উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরানের সামরিক অভিযান। গালফ্ দেশগুলির হামলা চালিয়েছে ইরান। কিন্তু সোমবার ব্রিটিশ সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন ইরানের হামলার তিন জন সেনার মৃত্যু হয়েছে। আহত আরও পাঁচ।
সুত্রের খবর অনুযায়ী সোমবার ভোরে সাইপ্রাসে ব্রিটেন বায়ুসেনার উপর হামলা চালায় ইরান। ইরানের সেই হামলায় মৃত্যু হয়েছে তিন সেনা জাওয়ানের। আহত আরও পাঁচ জ। তাদের অবস্থা গুরতর বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। ব্রিটিশ বরাবরই ইরানের উপর হওয়া ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলাকে সমর্থন করে এসেছে। ব্রিটিশ বায়ুসেনার উপর হামলার পর এর পালটা জবাব এখনও আসেনি সরকারের তরফ থেকে। কিন্তু এই হামলার পরিশোধ যে ব্রিটেন নেবে তা আশঙ্কা করা যায়। বর্তমানে মধ্য প্রাচ্যের অবস্থা সংবেদনশীল। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেন এই যুদ্ধে সরাসরি নামলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে চলেছে, তা বলা বাহুল্য।
গত বছরের শেষের দিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ অশান্তির সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতিনয়াহু ইরান পরিস্থিতির উপর হস্তক্ষেপের কথা জানালে সে দেশের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছিল যে খামেনিইর উপর হামলার অর্থ ইরানের স্বার্থের উপর হামলা। আর যা সহ্য করা হবে না। ইরানের উপর হামলার দ্বিতীয় দিনেই নিজের আবাসিক ভবনে পুরো পরিবার সহ খামেনিইকে হত্যা করা হয়। পাশাপাশি ইরানের ৪৮ জন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছে এই হামলায় সে কথাও জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
আয়াতোল্লা খামেনিইর মৃত্যুর পর ফুঁসছে তেহরান। তার আঁচ পরেছে পুরো মধ্য প্রাচ্যে। দুবাই সহ একাধিক গালফ্ দেশে আঘাত হেনেছে ইরানের সেনা বাহিনী। যত দিন এগোচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
