রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চার বছর অতিক্রম করে গিয়েছে। এখনও সেই যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে না। এই আবহে জল্পনা তৈরি হল, পোল্যাণ্ডে আক্রমণ করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ওয়ারশর আকাশে রাশিয়ার ড্রোন ঢুকে পড়েছে। আর যে ঘটনা ঘিরে পশ্চিম ইউরোপ জুড়ে ছড়িয়েছে জল্পনা। তবে পোল্যান্ডের পাশে দাঁড়িয়েছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটো।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৯ ও ১০ তারিখে রাতের অন্ধকারে ওয়ারশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে রুশ সামরিক ড্রোন। আক্রমণকারী ড্রোনগুলির মধ্যে অন্তত আট ড্রোনকে মাঝ-আকাশেই ধ্বংস করে ওয়ারশ। এই ঘটনার পর জল্পনা জোরালো হয়, ইউরোপের আরও একটি দেশে রাশিয়া সামরিক অভিযান চালাতে পারেন। এই জল্পনা আরও জোরালো হওয়ার কারণ, রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী দেশ বেলারুশের সঙ্গে টানা চার দিন ধরে যুদ্ধাভ্যাস চালাচ্ছে মস্কো। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে পাঁচ দিনের মহড়া চলছে দুই দেশের সেনার মধ্যে। যার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘জ্যাপাড’। ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে অভিযান চালানোর আগে বেলারুশের সঙ্গে টানা চার দিন মহড়া করেছে মস্কো। পরমাণু অস্ত্রের মহড়াও করা হয়। তার পরেই ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয় রাশিয়া। বেলারুশের সঙ্গে চলমান মহড়ায় যে ট্যাঙ্ক, লড়াকু জেট, র্যা ডার, বোমারু বিমান কাজে লাগানো হয়েছে, সেগুলির ভিডিও প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। অন্য দিকে পোল্যান্ডের উপর রুশ আগ্রাসন রুখতে মরিয়া নেটোও। ওয়ারশকে ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’, লড়াকু জেট এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র পাঠিয়েছে নেটো-ভুক্ত একাধিক দেশ।
