ওঙ্কার ডেস্কঃ নির্মলেন্দু গুণ। বাংলাদেশের স্বনামধন্য কবিদের অন্যতম। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তার কলমের জোরে। তাঁর লেখা ‘হুলিয়া’ এবং ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’-এর মত কবিতাগুলি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক। ওপার বাংলার সেই স্বনামধন্য কবিই এবার ময়মনসিংহে হিন্দু তরুণ দীপু দাসকে পিটিয়ে, পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে কলম ধরলেন।
হাদিকে নিয়ে উত্তাল পরিবেশের মধ্যে চাপা পড়ে গিয়েছে ময়মনসিংহের নৃশংস ঘটনা। হিন্দু তরুণকে যতটা নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, সাম্প্রতিক অতীতে বাংলাদেশে তেমন ঘটনার নজির নেই বলেই মনে করেন কবি।
বাংলাদেশের প্রবীণ কবি মুসলিম সমাজের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশি মুসলমান, তুমি হাদির ব্যথা বোঝো, আরবারের ব্যথা বোঝো, গাজার ব্যথা বোঝো, কিন্তু বোঝনা তোমাদের সাথে-স্যরি তোমাদের দয়ায় বেঁচে থাকা সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনদের। কী করলে বুঝবা? কী করলে পাশে থাকবা। কী করলে আমাদের প্রাণটুকু নিয়ে বাঁচতে দিবা’।
নির্মলেন্দু গুণ প্রথম শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১-এর সাত মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপটে লেখেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো।’ আগষ্ট শোকের মাস কাঁদো তার বিখ্যাত কবিতা। সেই প্রবীণ কবিই এবার প্রশ্ন তুললেন, মানবিকতার। জানালেন, বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ সম্প্রদায়েরা কী করলে সংখ্যালঘুদের বাঁচতে দেবে?
