ওঙ্কার ডেস্ক: রাশিয়ায় বড় ধরণের ড্রোন হামলা ইউক্রেনের। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যা অন্যতম বড় হামলা বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কিয়েভের এই হামলায় রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। কিয়েভের তরফে জানানো হয়েছে, ইউক্রেন সীমান্ত থেকে ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে শিল্পনগরী নিজনেকামস্কের তেল শোধনাগারে তাদের বাহিনী আঘাত হেনেছে।
রাষ্ট্রসঙ্ঘের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে দু পক্ষই দূরপাল্লার হামলার সংখ্যা বাড়িয়েছে। যার ফলে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির সংখ্যাও বেড়েছে। সোমবার স্থানীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, নিজনেকামস্কে চালানো এই হামলায় ‘এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।’ হামলায় জখম হয়েছেন আরও ৭৫ জন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলটি জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। অনেক বড় বড় তেল শোধনাগার রয়েছে এই অঞ্চলে। রাশিয়ায় পাল্টা হামলার অংশ হিসেবে কিয়েভ এসব ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক জায়গা থেকে কালো ধোঁয়া উঠছে। ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানিয়েছেন, ‘রুশ আগ্রাসনের সামরিক ক্ষমতা কমানোর লক্ষ্যে এই অভিযান। প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুসারে, নিহতদের মধ্যে তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের নাগরিকরাও রয়েছেন।
উল্লেখ্য, সোমবার রাশিয়াও ইউক্রেনে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় ইউক্রেনীয় প্রশাসন জানিয়েছে, উত্তর-পূর্ব খারকিভ অঞ্চলের একটি গ্রামে রাশিয়া গোলাবর্ষণ করেছে। যার ফলে পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। ১০ আগস্ট, চুগুইভ জেলার বুগাইভকা গ্রামে রুশ বাহিনী ব্যাপক হামলা চালায়। শত্রুপক্ষের এই হামলায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে যায়। পাঁচ জন নিহত হন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, তারা রাতে ধেয়ে আসা ৪৫৬টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে এর মধ্যে কতগুলো ড্রোন লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি।