ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জাপানে অনুষ্ঠিত হবে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে সংসদ ভেঙে দিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। শুক্রবার তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে সম্বল করে জাপানের ক্ষমতাসীন দলকে জয়ী করার উদ্দেশে আগেভাগে নির্বাচনের বন্দোবস্ত করেছেন তাকাইচি।
উল্লেখ্য, তাকাইচি জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। গত সোমবার তিনি নির্বাচনের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সে দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে শাসকদলের উপর ক্ষুব্ধ বিশাল অংশের মানুষ। জীবনযাত্রার সেই খরচে রাশ টানতে এবং প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাকাইচি। তাকাইচির দলের নাম লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। এই দলের সঙ্গে জোটে রয়েছে জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি)। বর্তমানে এই জোট সংসদে সামান্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে।
জাপানের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাপানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাইচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা রয়েছে খুব ভাল। কিন্তু তাঁর দল এলডিপি ইতিমধ্যে বেশ কিছু কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছে। আর সে কারণে জনভিত্তি কমেছে অনেকটা। তাই সাধারণ মানুষ তাকাইচিকে পছন্দ করে এটা যেমন সত্য, তেমনি তাঁর দলকে অপছন্দ করেন এটাও বাস্তবতা। সেই কারণে দল কতটা ভোট পাবে, তা এখনও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না। জাপানে সরকারি ভর্তুকির কারণে গত ডিসেম্বরে দ্রব্যমূল্যের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে চালের দাম এখনও গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি।
