ওঙ্কার ডেস্ক: ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের মাঝে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করেছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে স্বীকার করেছেন, ইরানের তিনটি পরমাণুকেন্দ্রে সফল বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর পরই ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলস-সহ আমেরিকার একাধিক শহরে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। আশঙ্কা হামলা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের এই জনবহুল শহর গুলিতে।
নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট তাদের এক্স হ্যান্ডল পোস্টে লিখেছে, “ইরানে বর্তমান পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং কূটনৈতিক কেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন স্তর যুক্ত করা হয়েছে।” নিউ ইয়র্কের পরে মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (ডিসি) এবং লস অ্যাঞ্জেলস প্রশাসন থেকেও একইরকম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলসের মেয়র জানিয়েছেন, শহরের ‘হাই-রিস্ক জোন’গুলিতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলছে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন থেকে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টা হামলার পর থেকেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি উত্তপ্ত। ইজরায়েল প্রথমে হামলা চালায় ইরানের মিলিটারি ও পরমাণুকেন্দ্রগুলিতে, যার পাল্টা জবাব দেয় ইরান। তারপর এক সপ্তাহের মধ্যে ইজরায়েল বারবার মার্কিন সমর্থন চেয়েছে। ট্রাম্প যদিও প্রথমে দুই সপ্তাহ সময় নেওয়ার কথা বলেছিলেন, কিন্তু নিজেই সেই কথা না মেনে ইরানে ফোরডো, নাতানজ ও ইসফাহান-এর মতো পরমাণু কেন্দ্রে বোমা ফেলে নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। এই হামলার পর ইরানের তরফে পাল্টা প্রতিশোধ নেওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে।
