ওঙ্কার ডেস্ক: কর্মক্ষেত্রে জাত বৈষম্যের শিকার হয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন হরিয়ানার আইপিএস অফিসার পূরণ কুমার। সেই পুলিশ কর্তার মৃত্যুর কয়েক দিনের মধ্যেই আত্মঘাতী হন রোহতক পুলিশের সাইবার সেলে নিযুক্ত এএসআই সন্দীপ লাথের। এই ঘটনায় এবার নয়া মোড় নিল। আইপিএস অফিসার তথা এডিজি ওয়াই পূরণ কুমারের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন সন্দীপের স্ত্রী।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নিহত আইপিএস পূরণ কুমারের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনার তদন্তে যুক্ত ছিলেন সন্দীপ। সন্দীপের স্ত্রী যে এফআইআর দায়ের করেছেন, সেখানে পূরণ কুমারের স্ত্রী অমনীত কুমারের নাম রয়েছে। এ ছাড়াও নাম রয়েছে পঞ্জাবের আপ বিধায়ক অমিত রতনের। উল্লেখ্য, কর্মক্ষেত্রে পুলিশের একাধিক শীর্ষকর্তা পূরণকে মানসিক হেনস্থা করেছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় তাঁর বিরুদ্ধে জাতিবিদ্বেষী মন্তব্যও করা হয়। এই আবহে গত ৭ অক্টোবর নিজের সার্ভিস রিভলভার দিয়ে নিজেকে গুলি করে আত্মঘাতী হন ২০০১ ব্যাচের আইপিএস পূরণ। সুইসাইড নোটে তিনি পুলিশের আট কর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। যখন এই ঘটনা ঘটে তখন সরকারি কাজে বিদেশে ছিলেন পূরণের আমলা স্ত্রী অমনীত। পরে তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। একাধিক পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
এ দিকে ১৪ অক্টোবর রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয় পূরণের মৃত্যুর তদন্তের আধিকারিক এএসআই সন্দীপের। তিনিও সার্ভিস রিভলবার দিয়ে আত্মঘাতী হন বলে অভিযোগ। একটি সুইসাইড নোটে সন্দীপ লিখে যান, আইপিএস অফিসার ওয়াই পূরণ দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। দাবি, দুর্নীতি প্রকাশ্যে এলে সম্মানহানি হবে, সে কারণেই আত্মহত্যা করেছেন পূরণ।
