ওঙ্কার ডেস্ক: ইরানে অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০। দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ থামার কোনও লক্ষ্মণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তেহরান যদি ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস হামলা চালিয়ে হত্যা করে’, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘বিক্ষোভকারীদের সাহায্য করবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই সতর্কবার্তার পর নতুন করে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। তবে ট্রাম্প কীভাবে এবং আদৌ হস্তক্ষেপ করবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও তাঁর এই মন্তব্যের পর ইরানের কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের টার্গেট করার হুমকি দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সপ্তাহজুড়ে ইরানে এই বিক্ষোভ চলছে। ২০২২ সালের পর ইরানে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভে পরিণত হয়েছে এটি। চার বছর আগে ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনির পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।
শনিবার ভোরে ইরানে যে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে সহিংসতায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। ইরানের সরকারি সংবাদপত্র ইরান জানিয়েছে, দেশের প্রধান শিয়া ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাণকেন্দ্র কোম শহরে একটি গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়েছে। যার ফলে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশকে উদ্ধৃত করে সংবাদ মাধ্যমটি বলেছে, ওই ব্যক্তি রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত শহরটিতে আক্রমণ করার উদ্দেশে গ্রেনেডটি নিয়ে যাচ্ছিল।
