স্পোর্টস রিপোর্টার : অস্কার ব্রুজোর করা অভিযোগের ভিত্তিতে এগিয়ে এলো ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।এদিন প্রাক্তন কোচের অভিযোগের বিরুদ্ধে সওয়াল ইস্টবেঙ্গলের ফুটবল সচিব সৈকত গাঙ্গুলির। তোলেন বেশ কয়েকটি প্রশ্নও। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি পোস্ট করেন ইস্টবেঙ্গলের ফুটবল সচিব। সেখানে সৈকত গাঙ্গুলি লেখেন, ‘ফুটবলে একটা কথা প্রচলিত আছে – ট্রফি জিতলে, আমি। আর সবকিছু নিজের মতো করে না চললে, ওরা। আপেক্ষিকভাবে, ক্লাব ছাড়ার পর একজন একাধিক ষড়যন্ত্র আবিষ্কার করতেই পারে। যেমন রহস্যময় মাস্টার, গোপন এজেন্ডা, ড্রেসিংরুমের প্লট, তথ্য ফাঁস, লবি এবং অদৃশ্য হাত। এত কিছুর পরেও দলকে কোচিং করানোর সময় কিভাবে বের করে নিলেন ভেবেই অবাক হচ্ছি। অভিযোগ করা সহজ। প্রমাণ করা কঠিন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অস্তিত্ব এক শতাব্দীরও বেশি। হাজার হাজার প্লেয়ার, কোচ, এবং কর্তা সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করেছে। তারমধ্যে কয়েকজন কিংবদন্তি হয়েছে, কেউ দ্রুত বেরিয়ে গিয়েছে, আর অনেকে ক্লাব ছাড়ার পর অভিযোগ করছে। কোনও ব্যক্তি, সে কোচ হোক বা প্লেয়ার বা কর্তা, প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় নয়।’
এদিকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সেই হমকির স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন অস্কার। লিখেছেন, ‘এই ঘটনা এবার ফুটবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।’ অস্কার যে দুটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন সেখানে লেখা হয়েছে, ভারতে এলে তাঁকে এবং তাঁর পরিবার বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই স্ক্রিনশট পোস্ট করে ইতিমধ্যেই ভারতে স্পেনের দূতাবাস এবং কলকাতা পুলিশকে ট্যাগ করেছেন অস্কার। কাঁরা ওই মেসেজ অস্কারকে পাঠিয়েছেন তাঁদের নামও দেখা যাচ্ছে স্ক্রিনশটে।সরাসরি খুনের হুমকি পেলেন প্রাক্তন লাল হলুদ কোচ। প্রমাণ সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি। লিখেছেন, ‘আমার স্টাফ, আমার পরিবার এবং আমি বর্তমানে অসংখ্য হুমকি পাচ্ছি, যার মধ্যে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকিও রয়েছে। বিষয়টি এখন আর ফুটবল, সমালোচনা বা মতবিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি সরাসরি ভয় দেখানো ও হুমকি দেওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।’
ভারতে স্প্যানিশ দূতাবাস এবং কলকাতা পুলিশকেও মেনশন করেছেন অস্কার। এমনকী, উল্লেখ করেছেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের নামও। লিখেছেন, ‘ইস্টবেঙ্গলের ম্যানেজমেন্ট এবং তার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের আশপাশে সক্রিয় কিছু ব্যক্তিকে ঘিরে যে হয়রানি ও ব্যক্তিগত আক্রমণের প্রচার চলছে, যার নিন্দা আমি ইতিমধ্যেই করেছি, তার মধ্যেই এই হুমকি পাচ্ছি।’
তবে এই হুমকির পিছনে কেউ থাকতে পারে এমনও অনুমান করেছেন ভয়ঙ্করা এফসির কোচ। কিন্তু প্রকাশ্যে তা নিয়ে কিছু বলেননি। লিখেছেন, ‘প্রমাণ ছাড়া এই হুমকির নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে আমি প্রকাশ্যে কোনও অনুমান করতে চাই না। তবে সব প্রমাণ আছে। কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হবে।’