ওঙ্কার ডেস্ক: দেশজুড়ে লাউডস্পিকারে আজানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা ডেনমার্ক সরকারের। ইসলামি সংস্কৃতির চর্চা ঘিরে সে দেশে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, এর ফলে সমাজে ঐক্য নষ্ট হচ্ছে। ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রী মর্টেন বোডস্কভ বলেছেন, দেশের কিছু এলাকা দেখে মনে হয় সেগুলো যেন ‘ইসলামাবাদের উপশহর’।
ডেনমার্কের ওই মন্ত্রী আরও জানান, দেশের মসজিদগুলোতে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে আজান প্রচার নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকার আইন সংক্রান্ত বিষয়ে পর্যালোচনা শুরু করবে। বোডস্কভ বলেন, ডেনমার্কে আজানের কোনও জায়গা নেই। তাঁর কথায়, ‘ডেনমার্কে এর কোনও জায়গা নেই; ডেনমার্কে চলাফেরার সময় আপনার যেন কোনও ভাবেই মনে না হয় ইসলামাবাদের কোনও উপশহরে এসে পড়েছেন।’ উল্লেখ্য, বর্তমানে স্থানীয় শব্দদূষণ সংক্রান্ত বিধির মাধ্যমে মাইকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রস্তাবিত নতুন ব্যবস্থায় দেশজুড়ে লাউড স্পিকারে আজানে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে।
গত বছর ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বোরখা ও মুখ ঢাকা পোশাকের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও চালুর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ‘নিজের বিশ্বাস ও ধর্ম পালনের অধিকার আপনার আছে, তবে গণতন্ত্রই সবার ঊর্ধ্বে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঈশ্বরকে এক্ষেত্রে সরে দাঁড়াতে হবে।’ ২০১৮ সালে ডেনমার্ক প্রথম জন পরিসরে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ করেছিল। সেই আইনের আওতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল না। প্রস্তাবিত সম্প্রসারিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় এবার স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও নিয়ে আসা হবে বলে জানানো হয়েছে।