ওঙ্কার ডেস্ক: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্ণবৈষম্য রোধে নয়া বিধি এনেছিল ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন বা ইউজিসি। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। এই আবহে ইউজিসি বিধি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুদি পণ্ডিত। তাঁর মন্তব্যকে ‘স্পষ্টভাবে বর্ণবাদী বক্তব্য’ বলে নিন্দা জানিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন। সেই সঙ্গে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছে পড়ুয়ারা।
ইউনিয়ন-এর অভিযোগের প্রেক্ষিতে, উপাচার্য বলেন, ‘আমি তা বলতে চাইনি, আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম যে ওকস এভাবেই ইতিহাস লিখেছেন।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘যারা ওকসের বিরোধিতা করেছিলেন তাদের কাল্পনিক জগৎ তৈরি হওয়ার কথা ছিল।’ ইউনিয়নের অভিযোগ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ৫২ মিনিটের একটি পডকাস্ট প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে উপাচার্য ইউনিয়নের পদাধিকারীদের বহিষ্কার, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবিরোধী ভাবমূর্তি’ এবং ইউজিসি ইক্যুইটি বিধি উল্টে দেওয়ার কথা বলেছেন। এই আবহে শুক্রবার এক বিবৃতি দিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন। তাতে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছে পড়ুয়ারা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘একটি পডকাস্টে উপাচার্যের স্পষ্টতই বর্ণবাদী বক্তব্যে আমরা হতবাক।’
পড়ুয়াদের ইউনিয়নের দাবি, ইউজিসি বিধি নিয়ে উপাচার্যের মন্তব্য অপ্রয়োজনীয়। বিবৃতিতে উপাচার্যের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে, তাঁর মন্তব্য ‘বিশ্ববিদ্যালয় এবং জন পরিসরে অবিচার, বর্ণ আধিপত্য এবং চিরস্থায়ী পদ্ধতিগত বর্জনের ঘটনাক্রম’ প্রতিফলিত করে। জেএনইউএসইউ ২১ ফেব্রুয়ারি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ দিবস পালনের জন্য বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ইউনিয়ন, ছাত্র সংগঠন এবং পড়ুয়াদের কাছে আর্জি জানিয়েছে।
