ওঙ্কার ডেস্ক: আইনবিরুদ্ধ কাজের জেরে সাসপেন্ড করা হল কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাসকে। যার ফলে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এই বিষয়ে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন।
জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি অনুযায়ী, কালীঘাট থানার বর্তমান ওসি গৌতম দাস নিজেই ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসে ওই ছবিটি পোস্ট করেছিলেন। পুলিশের উর্দি পরা অবস্থায় নিজের চেয়ারে বসে রয়েছেন তিনি এবং তাঁর হাতে রয়েছে একটি অত্যাধুনিক বন্দুক। ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘নতুন দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত।’ জয়প্রকাশ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ফেসবুক আইডির উল্লেখ করলেও, পরে সেটি মুছে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক রাজ্যের বিভিন্ন থানায় পুলিশে বড়সড় রদবদল করা হয়। গত ২৯ মার্চ কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উৎপল ঘোষকে ওই থানার ওসি করা হয়েছিল। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই তাঁকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ থেকে গৌতম দাসকে কালীঘাট থানার নতুন ওসি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। যার ফলে সরগরম হয় রাজ্য রাজনীতি।