ওঙ্কার ডেস্ক: লোকসভায় মুখ্য সচেতক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কল্যাণের ইস্তফার পর রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তৈরি হয়, ওই পদে কাকে বসায় জোড়াফুল শিবির তা নিয়ে। অবশেষে কল্যাণের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করে মুখ্য সচেতক হিসেবে কাকলি ঘোষদস্তিদারকে দায়িত্ব দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, কল্যাণ ইস্তফা দেওয়ার পর তাঁকে ফোন করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবি, সেই ফোনালাপে বর্ষীয়াণ সাংসদকে তিন দিন কাজ চালিয়ে যাবার অনুরোধ করেন অভিষেক। দিল্লি গিয়ে কল্যাণের সঙ্গে তিনি বৈঠক করার কথাও জানিয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কল্যাণের ইস্তফা গ্রহণ করে নিলেন। সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার মমতার আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। তাঁকে ওই পদে বসালেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাশাপাশি লোকসভায় তৃণমূলের উপ দলনেতা করলেন তিনি সাংসদ শতাব্দী রায়কে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বিরূপ ছিলেন দলনেত্রী। আর তাই সে কারণে ইস্তফাপত্র গ্রহণ করতে বিলম্ব করেননি।
উল্লেখ্য, সোমবার তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে ছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই বৈঠকে ঠিক হয় লোকসভায় দলনেতা হবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বৈঠক থেকে বেরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘মমতাদির মনে হয়েছে আমি দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছি না। তাই চিফ হুইপ পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।’
