ওঙ্কার ডেস্ক: কয়েক মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল নাবালিকা। বাড়ির লোক যখন তাকে খুঁজে পেল তখন ওই কিশোরী কয়েক মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়েছে বলে দাবি তার পরিবারের। নাবালিকার গর্ভপাত করাতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তার বাবা। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে হবে। সেই বোর্ড গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই নাবালিকার গর্ভপাত নিরাপদ কিনা বা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে হবে।
সূত্রের খবর, নাবালিকা বর্তমানে ৩৩ সপ্তাহের গর্ভবতী। আগামী ২৪ মে তার সম্ভাব্য সন্তান প্রসবের দিন। আদালত নির্দেশ দিয়েছে তার আগে মেয়েটির গর্ভপাত করানো সম্ভব কি না খতিয়ে দেখে জানাতে হবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। উল্লেখ্য ভারতের বর্তমান আইন অনুযায়ী, গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহের মধ্যে কোনও অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাতের জন্য আদালতের অনুমতি লাগে। ২০ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে গর্ভপাত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মত চিকিৎসকদের। তাই এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।
আদালতে নাবালিকার বাবার আইনজীবী বলেন, ১৭ বছর বয়সী ওই নাবালিকা দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে নিখোঁজ ছিল। বিষয়টি নিয়ে পুলিশে অভিযোগও জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পুলিশ যখন ওই নাবালিকাকে খুঁজে পায় তখন সে গর্ভবতী। বর্তমানে ৩৩ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা সে।