ওঙ্কার ডেস্ক: দেশ জুড়ে চার যখন নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ঠিক তখনই চার বছরের এক শিশুকন্যাকে যৌন হেনস্থা করে খুন করা হল মহারাষ্ট্রের পুণে জেলার একটি গ্রামে। ঘটনায় অভিযুক্ত ৬৫ বছরের একটি বৃদ্ধ। ইতিমধ্যেই এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গোটা এলাকায় তৈরি হয়েছে বিশাল ক্ষোভ।
পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, পুণের নসরাপুর গ্রামে একজন ৬৫ বছরের বৃদ্ধ ওই কিশোরী কে প্রথমে খাবারের লোভ দেখিয়ে গোয়াল ঘরে নিয়ে যান। এরপর ওই কিশোরী কে যৌন নিগ্রহ করেন। এরপর তথ্য প্রমান লোপাটের উদ্দেশে তাঁকে ইট দিয়ে থেতলে খুন করেন। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই উত্তেজিত গ্রামবাসী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ট্রাফিক। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন এনসিপি বিধায়ক রোহিত পাওয়ার। তিনি অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি তুলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন এর আগেও ওই প্রৌঢ় বহুবার দুই-তিনজন নাবালিকাকে নিগ্রহ করেছেন। সমাজমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি লেখেন “২০২৫ সালে মহারাষ্ট্রে ৮,৬৪৩টি ধর্ষণের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ২৪টি বা প্রতি ঘণ্টায় একটি করে ধর্ষণ হচ্ছে! এটা মহারাষ্ট্রের জন্য লজ্জার।” তিনি রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে একটি বিশেষ অধিবেশন ডেকে কড়া ‘শক্তি আইন’ কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। পুণের পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলা থেকেও এল আর এক কলঙ্কিত খবর। সেখানে এক কিশোরীকে বনের মধ্যে নিয়ে গিয়ে তিন ব্যক্তি গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরী তার এক পরিচিত ও আরেক বন্ধুর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিল। নির্জন রাস্তায় তিনটি বাইকে আসা তিন যুবক তাদের পথ আটকায়। প্রথমে তাদের থেকে মোবাইল, রুপোর হার ও নগদ টাকা ছিনতাই করা হয়। এরপর ভয় দেখিয়ে তাদের গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিশোরীর দুই সঙ্গীকে মারধর করে আলাদা বসিয়ে রেখে ঝোপের আড়ালে নিয়ে গিয়ে তিনজনে মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিএনএস ধারায় পকসো আইনে মামলা রজু করা হয়।