ওঙ্কার ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ড গোটা রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। ২০২৪ সালের সেই ঘটনায় শাসক তৃণমূল বিরোধী ক্ষোভ আছড়ে পড়েছিলে রাজপথে। আরজি কর কাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে নারী নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলে দলের সাসপেনশনের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সাসপেন্ড করা হয় চিকিৎসক নেতাকে। অবশেষে ১৫ মাস পরে তাঁর সাসপেনশন তুলে নিল জোড়াফুল শিবির। রবিরার দলের তরফে জয়প্রকাশ মজুমদার সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথা জানান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে শান্তনুর সাসপেনশন প্রত্যাহার তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূল কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের ফলে পুনরায় সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে চলেছেন শান্তনু। রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ আরজি কর কাণ্ডের পর হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। যা ভাল ভাবে নেয়নি জোড়াফুল শিবির। শান্তনুকে মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দল থেকে সাসপেন্ড করেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এতদিন দল থেকে বহিস্কৃত থাকা সত্ত্বেও অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেননি তিনি।
সাসপেনশন প্রত্যাহারের বিষয়ে জয়প্রকাশ মজুমদার রবিবার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘ডাঃ শান্তনু সেনের সাসপেনশন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ তৃণমূল কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের ফলে শান্তনু সেন এখন থেকে দলের সবরকম কাজ করতে পারবেন।