ওঙ্কার ডেস্কঃ ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর কালীঘাটে বার কয়েক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু মমতার সেই পথে নেমে আন্দোলনের ঝাঁঝ কমেছে। ভোটের পর থেকে আর রাজপথে কোনও লড়াইয়ে আর দেখা যায়নি তাঁদের। যা নিয়ে দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কালীঘাটের মিটিংয়ে একাধিক বিধায়ক বলেন, ঘরে বসে মিটিং করে দল বাঁচানো যাবে না। তার পরদিনই পথে নামলেন তৃণমূল বিধায়করা।
বুধবার সকালে ভোট পরবর্তী হিংসা ও একাধিক জায়গায় হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিধানসভায় ধরনায় বসে তৃণমূল। সেই ধরনায় ছিলেন, কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। কিন্তু জানা যাচ্ছে, দলের প্রায় ৫০ বিধায়ক এই ধরনায় অনুপস্থিত ছিলেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ঘাসফুলের ভরাডুবির পর, দলের অন্দরে ফাটল যে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ফলপ্রকাশের পর প্রায় ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ঘাসফুল শিবিরের তরফে সেরকম কোনও পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। প্রকাশ্যেই আসেননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কালীঘাটের বৈঠকে এবিষয়ে উষ্মাপ্রকাশও করেছেন দলের একাধিক বিধায়ক। জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হল না, তা নিয়েও আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, জাহাঙ্গিরকে বহিষ্কারের দাবিও জানিয়েছন সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও দলের তরফে এখনও পর্যন্ত সেরকম কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।