শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি!
ওঙ্কার ডেস্ক: শনিবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সিআইডির এক বিশেষ টিম। কিন্তু বাড়িতে পৌঁছাতে তদন্তকারী অফিসাররা যেতেই অভিষেকের বারি থেকে বলা হয় ‘স্যার ত বাড়ি নেই’ মনে করা হচ্ছে, বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিঠিতে স্বাক্ষর সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তেই সিআইডি আধিকারিকেরা অভিষেকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছেন। নোটিস দেওয়া হতে পারে ওই বাড়িতে। কিন্তু কি কারনে সিআইডি তাঁর বাড়ি গিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তাতে কয়েক জন বিধায়কের সইতে ‘অসঙ্গতি’ পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। সিআইডি সেই সংক্রান্ত তদন্তে কলকাতা পুলিশকে সাহায্য করছে। এর আগে এই সূত্রেই সিআইডি আধিকারিকেরা গিয়েছিলেন চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতে। এ ছাড়া, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম এবং ডোমজুডের বিধায়ক তাপস মাইতির বাড়িতেও সিআইডি গিয়েছিল।
মূল বিতর্কের সুত্রপাত বিধান সভায় সকল বিধায়ক দের শপথ গ্রহণের দিন। সেই দিন প্রটেম স্পিকারের সামনে সকল নির্বাচিত বিধায়কদের সই করতে হয়েছিল সেই সময় তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-র সই এর সঙ্গে তাঁর আগে করা সই এর সঙ্গে অসঙ্গতি দেখা দেয়। রাজ্যের শাসক দলের অভিযোগ, তিনি নিজের সই টেম্পারিং করেছেন। তাঁর উচিৎ তদন্তে সহযোগিতা করা। সেই সময় নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-র দাবি ছিল তাঁর সই কিছুটা বেঁকে গিয়েছে এবং তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রনদিত ভাবে হেনস্থা করছে বিজেপি। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে চৌরঙ্গীর নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ডোমজুড়ের তাপস মাইতি এবং ক্যানিং পূর্বের বাহারুল ইসলামের বাড়ি সিআইডি যায়। শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা যান বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়ি। যান বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতেও।