ওঙ্কার ডেস্ক: হিংসা ও গণবিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়েছিল লাদাখ। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হল, লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এদিন বিকেল ৪টা থেকে আর কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষকে সমাজ মাধ্যমে পুরানো এবং উস্কানিমূলক ভিডিও প্রচার করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সকালের দিকে ঘটে যাওয়া দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ছাড়া, বিকেল ৪টার মধ্যে লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, পর্যাপ্ত সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার লাদাখের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
লাদাখকে রাজ্যের স্বীকৃতি দিতে হবে, এই দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে বুধবার লেহতে হিংসার ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভ থেকে অগ্নিসংযোগ এবং সংঘর্ষের সূচনা হয়। যার ফলে ৪ জনের মৃত্যু হয়। জখম হয়েছেন ৪০ জন পুলিশ কর্মী-সহ কম করে ৮০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয় পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাসের শেল ফাটানো হয়।
অন্যদিকে এই ঘটনার জন্য সোনম ওয়াংচুককে দায়ী করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বহু নেতা সোনমকে অনশন প্রত্যাহারের আহ্বান জানালেও তিনি তা শোনেননি। আরব বসন্তের কায়দায় বিক্ষোভে উস্কানি দিয়ে গিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নেপালের জেন জি আন্দোলনের উল্লেখ করে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন।’
