ওঙ্কার ডেস্ক: বঙ্গ বিজেপির অন্যতম প্রধান মহিলা মুখ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে ফের জোর জল্পনা। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যেও তিনি অন্যতম। সাধারণত, এ ধরনের বড় কর্মসূচিতে রাজ্য সভাপতি থেকে শুরু করে সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন সম্পাদক সকলে আমন্ত্রিত থাকেন। তবু গত শুক্রবার দমদমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কর্মসূচিতে দেখা মেলেনি হুগলির প্রাক্তন সাংসদের। সূত্রের খবর, তাঁকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি সেই সভায়।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দমদমে প্রধানমন্ত্রীর সভায় অনুপস্থিতি চোখে পড়তেই মঞ্চ থেকেই রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ফোন করেন লকেটকে। তখনই নাকি তিনি জানান, তাঁর কাছে কোনও আমন্ত্রণপত্র আসেনি। যেহেতু তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডাকা হয়নি, তাই তিনি যাননি, এমনই দাবি লকেট ঘনিষ্ঠ মহলের।
যদিও প্রকাশ্যে এ বিষয়ে মুখ খোলেননি রাজ্য সভাপতি বা লকেট। সংবাদমাধ্যমে প্রশ্ন করা হলে হুগলির প্রাক্তন সাংসদ জানান, “আমার ওখানে থাকার কথা ছিল না। অন্য বৈঠকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, আমি সেটাই করছিলাম।” তবে কেন তাঁর দায়িত্ব দেওয়া হল, প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকার দিনই কেন তাঁকে অন্য কর্মসূচিতে পাঠানো হল এই প্রশ্নগুলির কোনও উত্তর দেননি তিনি।
বঙ্গ বিজেপিতে বর্তমানে পাঁচ জন সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতো এবং দীপক বর্মণ। গত মাসে দুর্গাপুরে প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লকেট-সহ চার জন সাধারণ সম্পাদক। কেবল দীপক ছিলেন না। তবে শুক্রবার দমদমে দেখা গিয়েছে কেবল জগন্নাথকে। অগ্নিমিত্রা অসুস্থ হয়ে আগেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বাকি তিনজনের কাউকেই দেখা যায়নি মঞ্চে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এ ধরনের বড়সড় কর্মসূচিতে রাজ্য নেতৃত্বের একাংশকে আমন্ত্রণ না জানানো বা তাঁদের বাদ দেওয়া অস্বাভাবিক। বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় থেকেও এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। সভায় যাঁদের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মতো ছিল, তাঁদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দিল্লি।
