নিজস্ব প্রতিনিধি : বাউল মানেই দেহতত্ত্ব ও মাটির গন্ধ। এই সংজ্ঞাকে পাথেও করে সাতাশ থেকে একত্রিশে ডিসেম্বর পর্যন্ত মধ্যমগ্রামের কালীবাড়ির পেছনে কল্যাণ সমিতির শিশু ভারতীর মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাউল ও লোক উৎসব। রবিবার বাউল ও লোক উৎসবের সূচনা হয় আরতি সিনেমা হলের সামনে, একটা সংক্ষিপ্ত পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে। এই পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য ও সদস্যারা । অনুষ্ঠান মঞ্চের নামকরণ করা হয়েছে প্রয়াত মৌসুমী সেনগুপ্তের নামে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মৌসুমী সেনগুপ্তের প্রতিকৃতিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারাসাত রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী প্রণবেশনন্দ। তিনি প্রদীপ জ্বেলে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন। একটি স্যুভেনিরের আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন মঞ্চের অতিথিরা। বিশিষ্ট শিল্পীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গনেশ রায় বাউল। উদীয়মান সঙ্গীত শিল্পী তানিয়া দামের নেতৃত্বে প্রথম দিন বিভিন্ন সংগীত পরিবেশিত হয়। অন্যান্য অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও গবেষক ডঃ নিরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রখ্যাত চিকিৎসক এন বি কাঞ্জিলাল ও সুদেব ব্যানার্জী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিয়ান মেডিকেল এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি এবং বেঙ্গল শাখা চিকিৎসক আর কে চক্রবর্তী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বামী প্রণবেশনন্দ মহারাজের হাতে স্মারক ফুল ও মিষ্টি তুলে দিয়ে সম্মানিত করেন প্রখ্যাত চিকিৎসক সুদেব ব্যানার্জী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন অতিথিদের হাতে ফুল স্মারক ও মিষ্টির বাক্স তুলে দেন সাংবাদিক ও বিশিষ্ট তবলিয়া পার্থ ভট্টাচার্য, অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে উৎসবের তাৎপর্যতা ব্যাখ্যা করেন উৎসবের সভাপতি কমলেশ সাহা। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মধ্যমগ্রামের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও উৎসব কমিটির সম্পাদক ডাক্তার সুদেব ব্যানার্জী।
এই পাঁচ দিন উৎসব মঞ্চে থাকবে বিনামূল্যে আইনী পরিসেবা ও বিনা ব্যায়ে সাস্থ্য পরিসেবা। সহযোগিতায় ডিসান ও বারাসাত আইএম এ।
