ওঙ্কার ডেস্ক: এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক পরিবর্তনের দাবি জানালেন মহারাষ্ট্রের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক । ইসিআইনেট সফটওয়্যারে চার পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। বর্তমানে মহারাষ্ট্রে এসআইআর-এর নোটিস পর্ব চলছে।
মহারাষ্ট্রের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এস চোক্কালিঙ্গম নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে এই আর্জি জানিয়েছেন। ইআরও-দের আরও বেশি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে সেই চিঠিতে। বিশেষ করে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’র মামলায় ইআরও-দের শুনানির পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ চাওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এই অসঙ্গতির অর্থ কোনও ব্যক্তি ভোটার নন, এমন নয়। মূলত আগের এসআইআর-এর ভোটার তালিকায় থাকা বাবা-মা বা দাদু-ঠাকুর্দার সঙ্গে কোনও ভোটারের তথ্য মেলানোর সময় সমস্যা হলে তা ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। নামের অমিল বা বয়স সংক্রান্ত সমস্যাও এর মধ্যে পড়ছে।
মহারাষ্ট্রের সিইও এর প্রস্তাব অনুযায়ী, এসআইআর-এর নোটিস সামলানোর সময় ইআরও-দের হাতে আরও বিকল্প থাকা উচিত। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত আইনগত দায়িত্ব ইআরও-দের উপরেই রয়েছে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য একজন করে এআরও থাকেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের ব্যবহৃত সফটওয়্যার সেই ক্ষমতা সীমিত করছে বলে অভিযোগ। সফটওয়্যারটির নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই কেন্দ্রীয় স্তরে রয়েছে বলে দাবি। সাধারণত এসডিএম পর্যায়ের আধিকারিকদের ইআরও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভোটার তালিকা তৈরি, দাবি ও আপত্তি শোনা এবং নাম অন্তর্ভুক্ত বা বাদ দেওয়ার মতো কাজ তাঁদের করতে হয়।